• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: জুন ২, ২০২০, ০২:৪৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ২, ২০২০, ০২:৫৮ পিএম

কোভিড-১৯

অর্ধলাখ ছাড়াল শনাক্তের সংখ্যা, মোট মৃত্যু ৭০৯

এসএম মুন্না
অর্ধলাখ ছাড়াল শনাক্তের সংখ্যা,  মোট মৃত্যু ৭০৯
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ৮৭তম দিন

....

গত ২৪ ঘণ্টা দেশে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এর মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ৭০৯ জনে। 

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১০ জন, চট্টগ্রামে ১৫, সিলেট ৪ জন এবং অন্যান্য জেলায় ৮ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৮ জন ও বাড়িতে ৯ জন।

বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ২ হাজার ৯১১ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৫২ হাজার ৪৪৫ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫২৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১১ হাজার ১২০ জন।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৫২টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় মোট ১৪ হাজার ৯৫০ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। এখান থেকে ১২ হাজার ৭০৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ৩৮৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৬ হাজার ২৪০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৬৯ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৪০৭ জন।

যারা কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক। তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শ থাকবে, তারা যেন এখনও নিজ ঘরে থাকেন।

নমুনা বিবেচনায় গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৩১ মে) শনাক্ত হয় ২ হাজার ৩৮১ ও মারা যায় ২২ জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮, ২৩ মে ১,৮৭৩, ২৪ মে ১,৫৩২, ২৫ মে ১৯৭৫, ২৬ মে ১,১৬৬, ২৭ মে ১,৫৪১, ২৮ মে ২,০২৯, ৩০ মে ২৫২৩, ৩১ মে ১,৭৬৪, ১ জুন ২,৫৪৫ ও ২ জুন ২,৩৮১ জন শনাক্ত হয়।

বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন হাজার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন লাখ ৭৭ হাজার। মোট আক্রান্ত ৬৩ লাখ ৬২ হাজারের বেশি মানুষ।

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মারাত্মক ছোঁয়াচে ভাইরাসটিতে ৩ হাজার ১৪ জন মৃত্যুবরণ করেন। নতুনভাবে লাখের বেশি মানুষের শরীরে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়।

সোমবার (১ জুন) ব্রাজিলে সর্বাধিক মৃত্যু হলেও সংখ্যায় তা ছিল হাজারের কম। দেশটিতে মোট মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩০ হাজার। আক্রান্ত পাঁচ লাখ ৩০ হাজার।

যুক্তরাষ্ট্রেও আরও সাত শতাধিক প্রাণহানির ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৭ হাজারের মতো। মোট আক্রান্ত ১৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষ।

দিনের তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে ভারত। মারা গেছেন ২০০ জন। মোট প্রাণহানি ছাড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৬০০ এর বেশি।

বিশ্বের সপ্তম দেশ হিসেবে মেক্সিকোতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁইছুঁই। আক্রান্ত প্রায় ৯১ হাজার। লকডাউন শিথিল করা হলেও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া এবং ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার সব দেশেই নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যু তুলনামূলক কম।

এসএমএম

আরও পড়ুন