• ঢাকা
  • শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০, ০৪:৪৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০, ০৪:৪৫ এএম

নিয়মের উল্টোরথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

জাগরণ প্রতিবেদক
নিয়মের উল্টোরথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

আমলে নিচ্ছে না স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ
প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতির নির্দেশ


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (৮ আগস্ট) করোনায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪ হাজার ৫৫২ জনের মৃত্যু হলো। এই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৯২ জন। এনিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫১ জন। দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে গত ৮ মার্চ জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর, ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যুর খবর দেয় তারা। সেই হিসেবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঠিক ছয় মাসের মাথায় মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে চার হাজার ছাড়ালো। অধিদফতরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশে এখন সক্রিয় করোনা রোগী আছে ৯৮ হাজার ২৭০ জন।

এদিকে, সামনে শীতের মৌসুমে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার সচেতনতার দিক থেকে গা-ছাড়া ভাবের কারণে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে সংক্রমণের এই সময়ে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়াতে সংক্রমণের হার আরও বাড়বে। আর সেটা ঠেকাতে হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ আমলে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যদিও কার্যকর লকডাউন নিয়ে তাদের মন্তব্য- ট্রেন মিস হয়ে গেছে, তবুও চেষ্টা করতে হবে।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়, সেটা তুলে নেওয়া হয় ৩১ মে। তারপর থেকেই করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হতে শুরু করে। অথচ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, বন্ধ হয়ে যাওয়া বুলেটিন চালু করা, টেস্টের সংখ্যা বাড়নো, কার্যকর লকডাউনের মতো অনেক পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা দিলেও সেদিকে নজর নেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বাঁচতে হলে নিজেদেরই সচেতন হতে হবে। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অথবা অধিদফতর তাদের কথা শুনছে না।

করোনা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত আয়োজন সংবাদ বুলেটিন বন্ধ করে দেওয়া হয় পরিস্থিতির উন্নতির কথা বলে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে, তাই প্রতিদিন আর বুলেটিনের দরকার নেই।'

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে সংক্রমণ শুরুর পর থেকে দুনিয়ার নানান কিছু পাল্টে দিয়েছে করোনাভাইরাস। বিশ্ব জুড়ে এতে আক্রান্ত বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংক্রমণ ঠেকাতে নানা দেশে আরোপ করা হয় কঠোর লকডাউন। তারপরও ঠেকানো যায়নি এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠিত জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকেও সিদ্ধান্ত হয়- প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারলে সংক্রমণ কমানো যাবে। কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন জোরদার ও তদারকি করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

রাজধানী ঢাকাতে পাইলট ভিত্তিতে পূর্ব রাজাবাজার ও ওয়ারীতে লকডাউন করলেও পরবর্তীতে কোনও পদক্ষেপ নেই। গত জুলাই থেকে লকডাউন কার্যক্রম ঝিমিয়ে আছে এবং এনিয়ে কোনও ভাবনাও নেই মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মান্নান বলেন, 'মানুষ সচেতন হচ্ছে, মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মানুষ যদি নিজের সচেতনতা না বোঝে, নিজে বাঁচতে না চায়, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র কতটুকু করতে পারে?' তিনি বলেন, 'এটা হচ্ছে কল্যাণ রাষ্ট্র, কল্যাণ রাষ্ট্রে মানুষকে কতটা আইন ইমম্পোজ করতে পারি, সেটাও দেখতে হবে।'

টেস্ট বাড়ানোর বিষয়ে আমরা শুরু থেকে বলে আসছি কিন্তু সরকার সেটা করছে না নাকি করতে পারছে না তা জানি না মন্তব্য করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, 'লকডাউনের কথাও বলেছি। সেটাও সরকার করছে না। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য একটা ইজি লকডাউন দরকার। মানুষকে পরীক্ষা করে শনাক্ত করে তাদের আইসোলেটেড করতে হবে। যারা পজিটিভ, তাদের আইসোলেটেড এবং যারা তাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের কোয়ারেন্টিন। পুরো এলাকা বাঁশ দিয়ে বন্ধ করা, তালা-চাবি দেওয়ার কোনও দরকার নেই। কিন্তু লকডাউনের বিষয়ে সরকারের কোনও নজরই নেই। একইসঙ্গে সার্ভিলেন্সের জন্য অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা দরকার বলেও মন্তব্য তার।

অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, অ্যান্টিবডি টেস্ট করতে পারলে বোঝা যেত সংক্রমণের হার কোন পর্যায়ে রয়েছে। অথচ সেটাও করা হচ্ছে না, তারা কী করছে, কী করতে যাচ্ছে কিছুই বুঝি না।
একই কথা বলছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব। বিশেষজ্ঞদের কথা আমলে নেওয়ার আর দরকার নাই, যা অঘটন ঘটার সেটা ঘটেই যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ছিল- বুলেটিন চালু করার, সেটা করা হচ্ছে না, কারণ জনগণকে তারা ভয় পায়। অথচ বুলেটিনে মানুষ সঠিক সরকারি তথ্য পেত এবং সে অনুযায়ী কিছুটা সচেতন হচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা প্রেস রিলিজ দিচ্ছে, সাধারণ মানুষের সেটা পাওয়ার স্কোপ কম।’
অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, ‘তারা যেহেতু এটা বন্ধ করে দিয়েছে, সেখানে পিপলস পারসেপশন অনেক কিছুই আসতে পারে, একে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না।’

অপরদিকে, অ্যান্টিবডি টেস্ট দরকার ছিল করোনার গতি-প্রকৃতি বোঝার জন্য। কিন্তু লকডাউন কার্যকর করে, যদি অ্যান্টিবডি টেস্ট করা যেত তাহলে ‘ইমিউন’ কতটুকু হলো, সেটা বোঝা যেত। একইসঙ্গে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হলে 'সিম্পটমলেস ইনফেকটেড’ কী পরিমাণ মানুষ রয়েছে, সেটা জানা যেত।

অ্যান্টিজেন পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডিক্লেয়ার দিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনও প্রজ্ঞাপন হয়নি। মন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্সে বলা আর সরকারি নির্দেশ জারি করা ভিন্ন বলেও মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজার কমিটির সদস্য এবং কোভিড-১৯ ল্যাবরেটরি টেস্ট এক্সপ্ল্যানশন পলিসি কমিটির কনভেইনার অধ্যাপক লিয়াকত আলী।

তিনি বলেন, 'রাজনীতি যদি বিজ্ঞানের ওপর বেশি ভর করে ফেলে, তাহলে সেখানে পলিসি খুব নেগলেটেড হয়ে যায়, আমাদের দেশে যেন সেটা না হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের পর রাজনৈতিক বিবেচনা, এটাই সিস্টেম। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পরার্মশ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে রাজনীতি আপারএন্ডে গেলে অনেক দুর্ভোগ থাকে, আর এটা শুধু বাংলাদেশ বলে নয়, পুরো পৃথিবীতেই কোভিড-১৯ এর রাজনীতি, রাজনৈতিক অর্থনীতি জেনারেল ট্রেন্ড হয়ে গেছে, কিছু দেশ বাদ দিয়ে।'

তিনি আরও বলেন, 'সরকার কমিউনিটি এনগেজমেন্টে ফেইল করেছে, একইসঙ্গে লকডাউন ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে, সেক্ষেত্রে কীভাবে কমিনিউটিকে সর্ম্পৃক্ত করে কী কী মেজার নেওয়া যায়, সেগুলো করতে হবে। এখন আর অর্ডার দিয়ে কিছু করা সম্ভব নয়, শুরুতে ট্রেন মিস করে ফেলেছি আমরা।'
বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ আমলে নেওয়া হয়নি, বাংলাদেশ প্রথম থেকেই ভুল পথে হেঁটেছে আর সেটা ভুল করে নয়, সিদ্ধান্ত নিয়েই ভুল পথে হেঁটেছে বলে মন্তব্য করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদ চিন্ময় দাস। তিনি মনে করেন, মহামারি যখন আসে তখন মহামারি বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়েই মূল কাজ করতে হয়, তাদের আমলে নিয়ে, তাদের মতামত- তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করতে হয়।

চিন্ময় দাস বলেন, ‘সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য চেষ্টা করতে হবে, একথা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকে বারবার বলেছেন। কিন্তু সংক্রমণ কমেছে বা নিয়ন্ত্রণে এসেছে-মন্ত্রণালয়ের একথা ফাঁকা বুলি ছাড়া আর কিছু না। আর কোনও কারণে যদি নতুন করে 'বার্স্ট আউট' হয়, তাহলে তার জন্য আমাদের ‘পে' করতে হবে, তবে আমি জানি না তার জন্য আমাদের প্রস্তুতি আছে কি না। কোভিড নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনিক ক্যাডারদের হাতে ছিল, এভাবে কোনও মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না, বিশেষজ্ঞদের মতামত আমলে নিয়ে এটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এদিকে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতি বছর অন্তত ৪০ দিন ক্লাস নেয়ার পরিকল্পনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে, প্রস্তুতি নেয়ার পরও ক্লাস নেয়া সম্ভব না হলে প্রাথমিকের সব শ্রেণিতে অটোপাস বা শিক্ষার্থীদের সরাসরি উত্তীর্ণ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব। এদিকে, জেএসসি’র পরিবর্তে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব স্কুলে মূল্যায়নের নির্দেশনা দেয়ার পর, অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস-পরীক্ষার ব্যাপারেও চলতি সপ্তাহেই আন্তঃশিক্ষা বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

প্রতিবছর নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু করোনার থাবায় এবছর শিক্ষাক্ষেত্রে সব পরিকল্পনা বদলে গেছে। গত মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পর এখনো খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি। এরইমধ্যে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
এ অবস্থায় পরিস্থিতি ভালো হলে অক্টোবর কিংবা নভেম্বরে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ক্লাস নেয়া ও ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা করে গত বৃহস্পতিবার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তুতিও নিতে স্কুলগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আকরাম-আল-হোসেন বলেন, প্রত্যেকটা স্কুল একটা রি-ওপেনিং প্লান তৈরি করবে। মাস্ক অবশ্যই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি কোনো স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যার বেশি হয়; তাহলে অলটারনেটিভ করে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে, চলতি বছর ক্লাস পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে সব শ্রেণিতে অটো পাসের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়; স্কুলগুলো খোলা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে না। অটোপাস দিতে হবে, কোনো শিক্ষার্থীকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে না।

এদিকে, জেএসসি পরীক্ষার পরিবর্তে স্ব স্ব স্কুলে মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করার নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে স্কুলগুলোতে। আর অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস ও পরীক্ষার বিষয়ে শিগগিরই আন্তঃবোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ক্লাস পরীক্ষার ব্যাপারে চার-পাঁচদিন পরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর জানানো হয়। আর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্কুলে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। এইচএইচসি পরীক্ষার ব্যাপারেও শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর আভাসও দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

এসকে