• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০২১, ১২:৫০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ১৮, ২০২১, ০৬:৫০ পিএম

দেশে প্রায় অর্ধেকের শরীরে অ্যান্টিবডি

দেশে প্রায় অর্ধেকের শরীরে অ্যান্টিবডি

গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে হার দুই শতাংশের নিচে নেমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোট জনসংখ্যার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ উপসর্গহীন করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছে। তাদের শরীরে অ্যান্টিবডিও তৈরি হয়েছে। 

সেই সঙ্গে একটি বড় সংখ্যার জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা গেছে। এই দুই কারণে কমতে শুরু করেছে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু হার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক মনে করেন, আগামী জুনের মধ্যে ৭০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা গেলে পরিস্থিতি আরও সহনীয় হবে। 

অক্টোবর থেকেই করোনা শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নামতে শুরু করে। মৃত্যুর সংখ্যা নেমে আসে সাত থেকে দশ জনে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মতে, টানা চার সপ্তাহ বা এক মাস শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে হলে রোগের প্রকোপ কমছে বলে ধরে নেয়া যাবে। 

এখন পর্যন্ত দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন দেশের ১২ শতাংশ মানুষ। এতো সীমিত টিকার পরও সংক্রমণ কমার কারণ হলো বিপুল জনগোষ্ঠীর উপসর্গহীন করোনা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষের এরই মধ্যে করোনা হয়ে গেছে। তাদের শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিই সংক্রমণ কমার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।  

যদিও কতো শতাংশ মানুষের অ্যান্টিবডি হয়েছে বা সেটি কতদিন শরীরে সক্রিয় থাকবে তা নিয়ে দেশে ব্যাপক কোনও গবেষণা হয়নি। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মাস্ক পরার বিকল্প নেই। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশা করছেন, আগামী মার্চ নাগাদ ৭০ শতাংশ মানুষকে দুই ডোজ টিকার আওতায় আনা গেলে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে। 

সোমবার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮২৭ জনে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৭৭৮ জন। 

জাগরণ/এমএ