• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২২, ০১:৩১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৩, ২০২২, ০৭:৩১ পিএম

টিকার সনদ ছাড়া রেস্টুরেন্টে খাওয়া যাবে না

টিকার সনদ ছাড়া রেস্টুরেন্টে খাওয়া যাবে না
ফাইল ফটো।

করোনার সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় মাস্ক পরার বাধ্যবাধ্যকতায় কঠোরতা আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। 

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে শুরু হওয়া আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টিকা যদি না নিয়ে থাকে, তাহলে রেস্টুরেন্টে খেতে পারবে না।  সেখানে খেতে হলে টিকা সনদ দেখাতে হব।। যারা টিকা নিয়েছে, তারা শুধু রেস্টুরেন্টে তা দেখিয়ে খেতে পারবেন।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা যদি না নিয়ে থাকে, তাহলে রেস্টুরেন্টে খেতে পারবে না। সেখানে খেতে হলে টিকা সনদ দেখাতে হবে। তবেই রেস্টুরেন্ট তাকে এন্টারটেইন করবে। টিকা সনদ ছাড়া কাউকে খাবার পরিবেশন করলে সেই রেস্তোরাঁকে জরিমানা করা হবে।’

বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘সরকার ওমিক্রন নিয়ে উদ্বিগ্ন, তবে এখনই লকডাউনের বিষয়ে ভাবা হচ্ছে না। পরিস্থিতি এখনও ওই পর্যায়ে যায়নি। তবে করোনা বাড়ছে যা উদ্বেগের বিষয়।’ 

শিক্ষার্থীদের জন্য করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ইস্যুতে করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, তথ্য সচিব মো. মকবুল হোসেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অন্য কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

এছাড়া মাঠ পর্যায় থেকে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), বিভাগীয় কমিশনার, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক, সিভিল সার্জনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতিদিনই ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০ জন ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।

 

এসকেএইচ//