• ঢাকা
  • শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০১৯, ১১:৫৯ এএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৯, ২০১৯, ০১:২৬ পিএম

অযোধ্যা মামলার রায়

বিতর্কিত জমি পাবে হিন্দুরা, মুসলিমদের বিকল্প জমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিতর্কিত জমি পাবে হিন্দুরা, মুসলিমদের বিকল্প জমি

নানা নাটকীয়তা এবং চরম উৎকন্ঠার মাঝে শেষ পর্যন্ত ভারতের রাম জন্মভূমি খ্যাত অযোধ্যার ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের দেয়া ঐতিহাসিক এই রায়ে জানিয়েছে, বাবরি মসজিদ যেখানে ছিল সেই স্থানে শর্তসাপেক্ষে জমি পাবে হিন্দুরা। তবে মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসলিমদের বিকল্প জমি বরাদ্দের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। 

শনিবার (৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায় বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এর নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, রায়ের শুরুতেই প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ওয়াকফ বোর্ডের আর্জি এবং নির্মোহী আখড়ার বিতর্কিত জমির উপর দাবি খারিজ করে দেন।

তারপর তিনি বলেন, “আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) তথ্যনুযায়ী ফাঁকা জায়গায় বাবরি মসজিদ নির্ম‍াণ হয়নি। তবে মাটির নিচে থাকা স্থাপনাটি ঠিক কী ছিল, তা এএসআই সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি।

“যেহেতু বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে জমির মালিকানা ঠিক করা সম্ভব নয়, তাই আইনের ভিত্তিতেই জমির মালিকানা ঠিক করা উচিৎ। আপাতত কেন্দ্রীয় সরকার ওই জমির মালিকানা পাবে। কেন্দ্রকে তিন মাসের মধ্যে বোর্ড অব ট্রাস্ট গঠন করে তাদের হাতে বিতর্কিত জমি তুলে দিতে হবে। ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানেই বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমিতে মন্দির নির্মাণ হবে।

“সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড ওই জমিতে অধিকার দাবি করতে পারবে না। তবে তারা মসজিদ নির্মাণের জন্য বিকল্প জমি পাবে। অযোধ্যার কেন্দ্রের কোথাও তাদের পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে এবং সেখানে তারা মসজিদ নির্মাণ করতে পারবে।”

সর্বসম্মত রায় ঘোষণার সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনি ভিত্তিতেই জমির মালিকানা স্থির করা উচিত। বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে জমির মালিকানা ঠিক করা সম্ভব নয়। তবে কাঠামো থেকেই কোনো দাবি করা যায় না। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন এখানেই রামের জন্মভূমি ছিল। তবে এএসআই এ কথা বলেনি, যে তার (বাবরি মসজিদ) নিচে মন্দিরই ছিল। 

তিনি বলেন, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার খননের ফলে যে সব জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট, সেগুলি নন ইসলামিক। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড অধিকার দাবি করতে পারে না। বিকল্প জমি পাবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। অন্যত্র ৫ একর জমি দেয়া হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। তারা সেখানে মসজিদ তৈরি করতে পারবে।

আরআইএস 

আরও পড়ুন