• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২০, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১০, ২০১৯, ১২:১০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১০, ২০১৯, ০২:৩২ পিএম

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা

আরাকান থেকে হেগে: বিশ্ব দরবারে ন্যায় প্রত্যাশী মানবতা 

-এস এম সাব্বির খান
আরাকান থেকে হেগে: বিশ্ব দরবারে ন্যায় প্রত্যাশী মানবতা 

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা ও জাতিগত নিধনযজ্ঞ পরিচালনার অপরাধে গাম্বিয়ার দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (আইসিজে)।

আগামী ১০ ডিসেম্বর এই মামলার প্রথম দিনের শুনানির মধ্যদিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক এই বিচারের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে, দ্য হেগে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ আদালত- আইসিজে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত)।

মিয়ানমারে গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে সাগর পাড়ি দিয়ে আসে বাংলাদেশ

এর মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের ন্যায় বিচার প্রাপ্তি ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলেই ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এরই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে সৃষ্ট নানা সঙ্কটপন্ন পরিস্থিতিরিও অবসান ঘটতে পারে।

বহুল প্রত্যাশিত এই বিচারিক কার্যক্রম শুরুর প্রাককালে তুলে ধরা যাক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়।

... মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিধনযজ্ঞ ও রোহিঙ্গাদের বাংলদেশে আশ্রয় প্রদান

বিদ্রোহীদের হামলার জবাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এক কঠোর বিদ্রোহ দমন অভিযান শুরু করে। এ সময় গণধর্ষণ, হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়াসহ জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে বাঁচতে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এসকল শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের দ্বারা স্থানীয় পর্যায়ে নানা সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টি সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে নিজ ভূমি হারা রোহিঙ্গাদের জাতিগত অস্তিত্বও হুমকির মুখে।

বিধ্বস্ত আরাকান, বিপন লাখো প্রাণ- হত্যাযজ্ঞের শিকার রোহিঙ্গাদের লাশ উদ্ধার

... জাতিসংঘের স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিশনের প্রতিবেদন

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান গত মাসে সতর্ক করে দিয়েছে যে সেখানে গণহত্যার পুনরাবৃত্তির গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে। একইসঙ্গে মিশন গত সেপ্টেম্বরে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানায়, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক আইনি অঙ্গনে মিয়ানমারের জবাবদিহি আদায় করা উচিত।

এর আগে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছে, এমন দবির প্রেক্ষিতে এই মিশন জানায়, গণহত্যা ও নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে বর্বর যৌন নিপীড়ন পরিচালনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষ এই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে ২২ আগস্ট এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসকল মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার দায়ে সেদেশের সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক বিচারের আওতায় আনার তৎপরতা শুরু করা হবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘের এই স্বাধীন অনুসন্ধানী দল।

এছাড়া এই ইস্যুতে বিশ্ব গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার অনুসন্ধানী রিপোর্টের তথ্য মতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত বর্বর হত্যাযজ্ঞের সুস্পষ্ট দলিলাদি এরইমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে।

... আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের ভোটে রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যু

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনযজ্ঞ ও ভয়াবহ নির্যাতন-নিপীড়নের আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচারের আহ্বান সংবলিত একটি প্রস্তাব গত ২৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের ভোটে পাশ হয়। এই বিলের প্রেক্ষিতে চীন ও মিয়ানমার সবাইকে প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু ভোটের শেষে ফলে দেখা গেছে, চীন ও ফিলিপাইন ছাড়া কেউই ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়নি। তবে ভারত, জাপান, নেপাল, কঙ্গো, ক্যামেরুন, অ্যাঙ্গোলা ও ইউক্রেন—এই সাতটি দেশ ‘অ্যাবস্টেইন’ ভোট দিয়ে কারো পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থাকে। প্রস্তাবটি উক্ত পরিষদে গৃহীত হয়েছে ৩৭-২ ভোটে। যার প্রেক্ষিতে এই সম্মতি জানানো হয় যে,

মানবাধিকার পরিষদে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইইউ ও ওআইসির যৌথ প্রস্তাব ৩৭-২ ভোটে গৃহীত
• রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিচার ও রাষ্ট্রহীনতা দূর করতে হবে, মিয়ানমারকে প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ ন্যায় সঙ্গত

ভোটের হিসাবে দেখা যায়, ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদে মিয়ানমার ইস্যুতে ভোট দেয়নি কিউবা। জানা গেছে, কিউবার প্রতিনিধিরা ভোটের সময় অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা দৃশ্যত প্রস্তাবটির পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভোট দেওয়া থেকেই বিরত থেকেছেন। সাধারণত কিউবা সুনির্দিষ্ট কোনো দেশভিত্তিক প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে।

রোহিঙ্গা হত্যা- আর্জেন্টিনার মানবতাবাদি সংগঠনের মামলায় প্রধান আসামী সুচি

... আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা

মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে বসবাসকারী সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে- সরকারী মদদে এক নৃশংস ও বর্বর সামরিক অভিযানে গণহত্যা ও জাতিগত নিধনযজ্ঞ পরিচালনার অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আন্তর্জতিক বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য মতে, সোমবার (১১ নভেম্বর) এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে, বিশ্বের একমাত্র মুসলিম রাষ্ট্রসংঘ ওআইসি'র প্রতিনিধি হিসেবে মামলাটি দায়ের করে আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ গাম্বিয়া।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের অভিযানের মধ্যে ছিল হত্যা, গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন, ভৌত বিনাশ বয়ে আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি, জন্ম রোধের ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়া ও জোরপূর্বক স্থানান্তর। এগুলো গণহত্যার বৈশিষ্ট। কারণ এসবের উদ্দেশ্য ছিল রোহিঙ্গা গোষ্ঠীকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস করে দেয়া।

মামলার শুনানির জন্য দ্য হেগে সুচি

এ প্রসঙ্গে গাম্বিয়ার আইনজীবীরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এ মামলায় মিয়ানমারের গণহত্যার আচরণ অবিলম্বে বন্ধ করার ব্যবস্থা বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে জরুরিভাবে আদেশ দেয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গাম্বিয়া এ মামলা করেছে।

... ডি ফ্যাক্টো নেত্রী সুচির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা

মিয়ানমার অধ্যুষিত রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনযজ্ঞ পরিচালনায় সেদেশের সামরিক বাহিনীকে সমর্থন প্রদানের অভিযোগে দেশটির নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় আর্জেন্টিনায়।

গত ১৩ নভেম্বর আর্জেন্টিনায় এই মামলা দায়ের করে দক্ষিণ আমেরিকান কিছু মানবাধিকার সংগঠন। সু চি ছাড়াও এই মামলায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি করা হয়েছে ‘ইউনিভার্স জুরিসডিকশন’ বা ‘বৈশ্বিক বিচার দায়বদ্ধতা’-এর আওতায়।

... গাম্বিয়ার মামলা: প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশ প্রদান করে আইসিসি

মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলের রোহিঙ্গাদের ওপর সেদেশের সেনাবাহিনী কর্তৃক জাতিগত নিধনযজ্ঞ ও দমন অভিযানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না তা তদন্তের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। এই প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মামলাটি আমলে নিয়ে এর বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার ঘোষনা দেয় আইসিজে।

... মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে শুনানির মধ্যদিয়ে

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষনা প্রদানকালেই এই মামলার শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনের কথা জানায় আইসিজে। আগামী ১০ ডিসেম্বর দ্য হেগে অবস্থিত আইসিজে আদালতে শুরু হবে মামলার শুনানি, চলবে ১২ ডিসেম্বর নাগাদ।

এই মামলার শুনানির জন্য ধার্যকৃত দিন ও সময় উল্লেখে আইসিজে জানায়, ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে মামলার শুনানি। ১০ ও ১১ ডিসেম্বর এই দু'দিন মামলার শুনানি চলবে বেলা ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। শুনানি কার্যক্রমের শেষ দিন অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর শুনানি চলবে বেলা ১০টা থেকে ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত।

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগণ

... বাদী ও বিবাদী পক্ষের প্রস্তুতি

নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক অধিকার রক্ষা ও তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে বাদীপক্ষ হিসেবে মামলাটি দায়ের করে গাম্বিয়া। এই মামলার অভিযুক্ত হিসেবে বিবাদী পক্ষে রয়েছে মিয়ানমার। আইসিজেতে বাদী পক্ষের আইনজীবীদের যে প্যানেলটি মামলা লড়বে তার নেতৃত্ব দেবেন গাম্বিয়ার আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল ও আবুবাকার মারি তামবাদো।

অপরদিকে মিয়ানমারের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনাকারী প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির ডি-ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচি। এছাড়া এই প্যানেলের সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ, মিয়ানমার সেনা বাহিনীর ৩ জন সদস্য।

... সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

৮ ডিসেম্বর আইসিজের বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক আদালতের সামনে রোহিঙ্গা নির্যাতন মামলা সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপনের প্রেক্ষিতে একটি সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টসের একটি আইনজীবী প্যানেল।

এছাড়া রোহিঙ্গা নিপীড়ন মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে মিয়ানমার ভিত্তিক রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সহায়তা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান নে মেন লুইন।

বিষণ্ণ সুচি- ফাইল ফটো

এদিকে রোহিঙ্গা নিপীড়নের অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই মামলার প্রেক্ষিতে গাম্বিয়ার নেয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে মিয়ানমারের তিনটি প্রধান স্থানীয় বিদ্রোহী সংগঠন তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি, আরাকান আর্মি  ও মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক আর্মি।

এদিকে আজ (৯ ডিসেম্বর) রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত, আইসিজে’তে মামলার শুনানিতে অংশ নিতে নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেছেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান এবং রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি।

অপরদিকে মামলায় পূর্ণাঙ্গ শুনানির আগে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের ১৬ সদস্যের বিচারক প্যানেলের প্রতি আহ্বান জানাবার কথা রয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গত নভেম্বরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজে’তে মামলা করে দেশটি।

এমএইচবি

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা, ইউএন নিউজ, রয়টার্স