• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২০, ০২:৩২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২০, ২০২০, ০২:৩২ পিএম

হংকংয়ে সহিংস বিক্ষোভের পর এক নেতাকে আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
হংকংয়ে সহিংস বিক্ষোভের পর এক নেতাকে আটক

হংকং বিক্ষোভের জের ধরে বিক্ষোভে অর্থের যোগানদাতা ও গণতন্ত্রতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

এ সম্পর্কে হংকং সিভিল অ্যাসেম্বলি টিম এক বিবৃতিতে জানায়, রোববার সন্ধ্যায় ওই বিক্ষোভের মূল হোতা ভেনটুস লাউকে আটক করেছে পুলিশ। বিক্ষোভের শর্ত ভঙ্গ ও পুলিশের কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে হংকং জুড়ে যে ভয়াবহ বিক্ষোভ হয় তার প্রধান আয়োজক ছিলেন গণতন্ত্রমনা ভেনটুস লাউ। তিনিই বিক্ষোভ মিছিলের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ‘নো অবজেকশন’অনুমতিপত্রটি আদায় করে এনেছিলেন। পুলিশ তাদের কেবল শহরের অন্যতম আর্থিক কেন্দ্র সেন্ট্রাল স্ট্রিটে বিক্ষোভ র‌্যালি করার অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু পরে লোক সমাগম বেশি হওয়ায় এটি আর ওই নির্দিষ্ট সড়কে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। হাজার হাজার মানুষের চাপে এক পর্যায়ে ওই বিক্ষোভ র‌্যালি আশপাশের সড়কগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। এসময় অনেক বিক্ষোভকারী ছাতা, আসবাবপত্র ও ইট ফেলে সড়ক অবরোধ করে এবং যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

বিক্ষোভ মিছিলে বহু প্রবীণ মানুষ এমনকি সপরিবারেও অনেকে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের অনেকের মুখ ঢাকা ছিল কালো মুখোশে। হাতে ছিলো গণতন্ত্রের দাবি সম্বলিত নানা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার।

র‌্যালি শুরু হওয়ার মাত্র দেড় ঘণ্টা পরই এতে বাধা দেয় পুলিশ। তারা এই বিক্ষোভ মিছিলকে বেআইনি দাবি করে এটি বন্ধ করারও দাবি জানায়। কিন্তু পুলিশের দাবি অগ্রাহ্য করে বিক্ষোভ মিছিল চলতে থাকে। ফলে দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মিছিল থেকে পুলিশের ওপর পাথর ছুড়ে মারা হয়। জবাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ।

পরে এ ঘটনা সম্পর্কে দেয়া এক বিবৃতিতে পুলিশ একে‘ভয়াবহ সংঘাত’হিসাবে বর্ণনা করেছে। এছাড়া এই সংঘর্ষে দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হওয়ারও দাবি করেছেন হংকং পুলিশ।

মিছিলের আয়োজকারীরা জানান, রোববারের ওই মিছিলে দেড় লাখের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে পুলিশ ভেবেছিলো, এতে বড়জোর ১০-১১ হাজার মানুষ হবে। তাদের ধারণার বেশি জনসমাগম হওয়ার কারণেই তারা ওই মিছিলে বাধা দেয়।
এসকে