• ঢাকা
  • বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৭:২২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৭:২৪ পিএম

বুরুন্ডি‍‍’র কারুসিতে ছয়টি গণকবরের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বুরুন্ডি‍‍’র কারুসিতে ছয়টি গণকবরের সন্ধান
পূর্ব আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডি‍‍`র কারুসি প্রদেশে ছয়টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে ● ইন্টারনেট

পূর্ব আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডির কারুসি প্রদেশে ছয়টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব কবরে প্রায় ৬ হাজার ৩২টি মরদেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে কারুসির কর্তৃপক্ষ। গণকবরগুলো থেকে কয়েক হাজার বুলেটও পাওয়া গেছে। ওই দেহবশেষগুলোর জামাকাপড়, চশমা ও অলংকার যাচাই করে কয়েকজনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

আল জাজিরার বরাত দিয়ে ইন্ডিপেন্ডেট টিভি জানায়, জানুয়ারিতে দেশটির সরকার দেশজুড়ে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করার পর এটাই সবচেয়ে বড় মরদেহ পাওয়ার খবর। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৭২ সালে টুৎসি ও হুতু নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে হুতু নৃ-গোষ্ঠীর মরদেহ এগুলো।

দেশটির ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশনের চেয়ারম্যান পিয়েরে ক্ল্যাভার এনদায়িকারিয়ে  শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের জানান, ছয়টি গণকবর থেকে ৬ হাজার ৩২টি দেহাবশেষ এবং কয়েক হাজার বুলেট উদ্ধার করা হয়। আর কবরে পাওয়া পোশাক, চশমা ও মালার সূত্র ধরে এসব দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অনুসন্ধানকারী দল।

১৯৭২ সালের গৃহযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ৪৮ বছর আগে সংঘটিত গৃহযুদ্ধে নিহত হুতু নৃ-গোষ্ঠীর দেহাবশেষই এগুলো।

১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভের পর একাধিকবার গৃহযুদ্ধে জড়িয়েছে বুরুন্ডি। আর এ পর্যন্ত দেশটিতে ৪ হাজারেরও বেশি গণকবর খুঁজে পাওয়া গেছে। এসব কবর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি দেহাবশেষ।

বুরুন্ডির জনসংখ্যা ‘টুৎসি ও হুতু’ এই দুই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে বিভক্ত। দেশটির গৃহযুদ্ধে ৩ লাখ লোক মারা যায়। ২০০৫ সালে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে। এরপর ওই বছর ক্ষমতায় আসেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট পিয়েরে এনকুরুনজিজা। তবে দেশটিতে এখনও জাতিগত বিভেদ লেগেই আছে।

১৮৮৫ সালে দেশটিতে বিদেশি শক্তির উত্থান থেকে চলা এবং গৃহযুদ্ধের সময়কার নৃশংসতা তদন্তে ২০১৪ সালে সরকার পরিচালিত ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ কমিশন গঠন করে সরকার।

এসএমএম