• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০১:০২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০১:০২ পিএম

শপথ শেষে কেজরিওয়াল

ভোট যার যার, মুখ্যমন্ত্রী সবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভোট যার যার, মুখ্যমন্ত্রী সবার
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল- ফাইল ফটো

দিল্লি বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে ফের সরকার গঠন করেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তৃতীয়বারের মতো দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেয়ার পর তিনি দল মত নির্বিশেষে সবার প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন। একই সঙ্গে ভারতের মোদী সরকারের সঙ্গেও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন কেজরিওয়াল।

শপথ নেয়ার পর তিনি বলেন, ‘কেউ বিজেপি, কেউ কংগ্রেসকে ভোট দিতেই পারেন। কিন্তু শপথের পরে আমি সবার মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও দলের, ধর্মের লোক প্রয়োজনে আমার সঙ্গে দেখা করতে পারেন। আগের মতো এ বারও কাজের ক্ষেত্রে কোনও দল বিচার করা হবে না।’

আগামী দিনে কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতে যাওয়ার পক্ষপাতী তিনি নন। ‘সবার মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবে দিল্লির উন্নয়নে তাল মিলিয়ে চলতে চান কেন্দ্রের সঙ্গে। তাই বুঝি দিল্লির উন্নয়নে রোববার শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীর আশীর্বাদও প্রার্থনা করেন কেজরিওয়াল।

রোববার সকালে বরাবরের মতোই সাদা শার্টের ওপরে মোটা লাল ফুলহাতা সোয়েটার পরে রামলীলা ময়দানে প্রবেশ করেন কেজরিওয়াল। স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ১২টায় তার নাম ঘোষণা করা মাত্রই উল্লাসে ফেটে পড়ে উপস্থিত হাজার হাজার জনতা। কেজরিওয়ালের সঙ্গে শপথ নেন তার মন্ত্রিসভারসদস্যরাও -মণীশ সিসৌদিয়া, সত্যেন্দ্র জৈন, গোপাল রাই, কৈলাস গহলৌত, ইমরান হুসেন ও রাজেন্দ্র পাল গৌতম।

এবারের মন্ত্রিসভায় পুরাতনদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ফলে সেখানে কোনও নতুন মুখ বা নারী সদস্যকে দেখা যায়নি। নতুন মন্ত্রীর কাজ বুঝতে সময় লাগবে। তাই পুরনো মুখেই ভরসা করেছেন কেজরীবাল।

শপথগ্রহণ শেষে উপ-রাজ্যপাল অনিল বৈজল চলে যেতেই রাজধানীবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কেজরীবাল বলেন, ‘এটা দিল্লিবাসীর জয়। গ্রামে ফোন করে বলুন, আপনাদের ছেলে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছে।’ এ সময় তিনি নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানানো ব্যক্তিদেরও দল ক্ষমা করে দিয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ বারে গোড়া থেকেই মোদী সরকার তথা কেন্দ্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলতে চাইছেন কেজরি। তাই শপথ অনুষ্ঠানে কোনও আঞ্চলিক নেতাকে আমন্ত্রণ না-জানালেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানাতে ভুল করেননি আপ নেতারা। তবে কেজরিওয়ালের সেই আমন্ত্রণে সাড়া দেননি দুজনের একজনও।

উল্লেখ্য, ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কেজরিওয়ালের দল আপ একাই পেয়েছে ৬২টি আসন। বাকি ১২টি আসন গেছে মোদীর দল বিজেপির দখলে। ওই নির্বাচনে কোনও আসন পায়নি কংগ্রেস। তাদের অধিকাংশ ভোট গেছে কেজরিওয়ালের বাক্সে।

এসকে