• ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ জুন, ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২০, ১০:৪২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ৭, ২০২০, ১০:৪২ পিএম

ইতালি রাশ টানলেও বেসামাল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইতালি রাশ টানলেও বেসামাল যুক্তরাষ্ট্র

করোনায় মৃত্যুর নিরিখে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে থাকলেও, প্রতি দিনের মৃত্যুর হারে কিছুটা রাশ টেনেছে ইতালি। গত সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যাটা এক লাফে অনেকটাই নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে তারা। রোববার (শনিবার) সেখানে মৃত্যু হয় ৫২৫ জনের। দেশে করোনা সংক্রমণের পর থেকে যা সর্বনিম্ন বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ওইদিন নতুন করে সংক্রমিত হন ৪ হাজার ৩১৬। এ যাবৎ পর্যন্ত প্রতিদিনে যে সংখ্যাটা ছিল ৬ হাজার।

ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্য আনন্দবাজার জানায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর গ্রাফটা যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল, তা অনেকটাই নামিয়ে আনা হয়েছে। সংক্রমণ যাতে আর বাড়তে না পারে তার জন্য কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ইতালিতে আক্রান্ত প্রায় এক লাখ ৩৩ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ। মৃত্যু হয়েছে ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষের। আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৬৮ হাজার। তারপরেই রয়েছে স্পেন, ইতালি ও জার্মানি।  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছিল চীন থেকে। কিন্তু এই দেশ সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে এনেছে দ্রুত। ফলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর তালিকায় অনেকটাই নিচে নেমে এসেছে তারা। কিন্তু আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলো যেমন স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স এবং জার্মানিতে সংক্রমণ এবং মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শুরুর দিকে সংক্রমণের তালিকার অনেকটাই নিচের দিকে ছিল আমেরিকা। চীন ছিল শীর্ষস্থানে। এই মুহূর্তে সংক্রমণের দিক থেকে সবাইকে টপকে গেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ ৩৮ হাজার। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও।

এরই মধ্যে সেখানে মৃত্যু ১০ হাজার পেরিয়ে গেছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নিউ ইয়র্কের। তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো। গত দু’দিনে মৃত্যুর হার যেমন কমেছে, পাশাপাশি সংক্রমণেও অনেকটা রাশ টানা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই সংখ্যা কমার কারণ হিসাবে সামাজিক দূরত্বের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩৬ হাজার। তবে স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণায় জানায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটা অনেকটাই কমেছে। যা গত দু’সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম। প্রতিদিনে মৃত্যুর হারও সামান্য কমেছে।

এসএমএম