• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২০, ০৭:৪০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ৪, ২০২০, ০৭:৪০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ট্রাম্পের নেতৃত্বে রাশমোরোতে ব্যাপক জনসমাগম

আন্তর্জতিক ডেস্ক
ট্রাম্পের নেতৃত্বে রাশমোরোতে ব্যাপক জনসমাগম
রাশমোরোর প্রচারণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প - দ্য গার্ডিয়ান

নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের তোয়াক্কা না করেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে সাউথ ডাকোটার মাউন্ট রাশমোরোতে। সিএনএন

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে শুক্রবার (৩ জুলাই) হাজার হাজার লোকের উপস্থিতিতে ফাস্ট লেডি মেলানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাউথ ডাকোটায় পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। এ রাজ্যে তিনি ২০১৬ সালে খুব সহজ জয় পেয়েছেন। এরপর সমাবেত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সমর্থকদের মধ্যে থেকে ‘আরও চার বছর’ শ্লোগান ওঠে। এদের অনেককেই মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।

এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষণে বর্ণবাদ ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের জাতিগত ন্যয়বিচারের দাবিকে ‘সহিংস মারামারি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পাশাপাশি, তিনি বর্ণবাদ ও পুলিশি নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস নির্মূল, বীরদের বীরত্বগাঁথাকে বিকৃত, মূল্যবোধ মুছে ফেলা এবং সহিংসতায় শিশুদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমাহীন প্রচারণা বলে বর্ণনা করেন।

ওই আয়োজন থেকে ট্রাম্প তার সমর্থকদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অখন্ডতা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বিক্ষোভকারীদের লক্ষ করে তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের নি:শব্দ করতে চায়। কিন্তু আমরা নিরব হবো না। এখন সময় গলা চড়িয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলার। এ দেশের অখন্ডতাকে রক্ষা করার।

অন্যদিকে, ট্রাম্প যখন তার বক্তব্যে এসব কথা বলছিলেন তখন শুক্রবার (৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে রেকর্ড সংক্রমণ ৫৭ হাজারে দাঁড়িয়েছে। তবে, ট্রাম্প তার বক্তব্যে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তাদের সামান্য ধন্যবাদও দেননি। আর তার সম্পূর্ণ বক্তব্যে কোভিড-১৯ নিয়ে তেমন কোন কথাবার্তাও ছিল না।

ইতোমধ্যেই, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির কারণে এক লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এন্থনি ফাউচি বলেছেন, সংক্রমণের সাম্প্রতিক উর্ধ্বগতি পুরো দেশকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

এসকে