• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০১:৩৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৩:১৫ পিএম

টিকার ডোজ নিয়ে ভিন্নমত

টিকার ডোজ নিয়ে ভিন্নমত

ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা ভ্যাক্সিনের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে সময়ের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইংল্যান্ডের চিকিৎসকের একটি দল। ইংল্যান্ড এবং ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু নীতিগত পার্থক্য থাকায় এই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাইজার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার দেড় মাস পরেই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে। ইংল্যান্ড তাদের নীতিমালা অনুযায়ী ৩ মাস পর দ্বিতীয় ডোজ সরবরাহ করবে। অবশ্য করোনাভাইরাসে ইউরোপের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটি যথাসম্ভব বেশি নাগরিককে যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন প্রদান করতে চায় বলেই এই নীতি গ্রহণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির সম্মিলিত উদ্যোগে উদ্ভাবিত ফাইজার-বায়োএনটেক কিংবা যুক্তরাজ্য-সুইডেনের অর্থায়নে পরিচালিত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত দুটি ভ্যাক্সিনের যেকোনো একটি নিয়েছে কমপক্ষে ৫৫ লাখ মানুষ। অ্যাস্ট্রাজেনেকা তাদের ভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার ৩ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ নিলেও চলবে বলে মন্তব্য করেছে।

তবে প্রথম ডোজের এতদিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিলে তা কতটুকু কার্যকর হবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফাইজার। সেজন্য ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন থেকে তিন মাসের ডোজের ব্যাপারে পুনর্বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে আসতে বলা হয়েছে।

অবশ্য যুক্তরাজ্যের গণস্বাস্থ্য বিভাগের হাসপাতাল পরিচালক ফন ডয়েল তিন মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার নীতিকে ‘সরবরাহ এবং চাহিদা’র মধ্যে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ সংখ্যক নাগরিকদের সেবা দেওয়ার নীতি বলে দাবি করেছেন।