• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৪:০৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৫:৩৫ পিএম

দুই সপ্তাহ পর খনি থেকে জীবিত উদ্ধার

১৪ দিন খনিতে আটক থাকার পর ১১ শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করেছে চীনের উদ্ধারকর্মীরা। ১০ জানুয়ারি শ্যানডং প্রদেশের একটি খনিতে বিস্ফোরণের পর বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাটির প্রায় ২০০০ ফুট নীচে আটকে পড়েন ২২ জন শ্রমিক। সাত দিনের চেষ্টার পর তাদের ১১ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হত উদ্ধারকারী দল।

রোববার চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাদের উদ্ধার হওয়ার খবর ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সিনহুয়া নিউজের বরাতে বিবিসি জানায়, এখনো খনির আরেক অংশে আটক আছেন বাকি ১০ শ্রমিক। তাদের একজন মারা গেছেন বলেও আশংকা করা হচ্ছে।

উদ্ধারের ভিডিওতে দেখা যায় সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শ্রমিকদের চোখে কালো কাপড় বেঁধে তাদের বাইরে বের করে আনা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মাটির নীচে অন্ধকারে থাকায় বাইরের আলোতে যেন তাদের অসুবিধা না হয় সেজন্যেই এই ব্যবস্থা। উদ্ধারের পর চিকিৎসার জন্যে তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের স্থানীয় হাসপাতালের নেয়া হয়েছে।

রোববার সকাল থেকেই এক এক করে খনি শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়। তবে দীর্ঘদিন প্রতিকূল পরিবেশে থাকায় তাদের শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নেই বলে জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম সিসিটিভি। উদ্ধারকৃতদের একজনের একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলেও জানা গেছে।

গত সপ্তাহে খনিতে সরু ছিদ্র করে ভেতরে অবস্থানরত শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উদ্ধারকারী দল। তাদের চিরকুট পাওয়ার পর দড়ি দিয়ে খাবারের সঙ্গে ব্যথানাশক ওষুধসহ জীবন রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো হয় ভেতরে।

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ও ঝুঁকিপূর্ণ খনিগুলোর অবস্থান চীনে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই এখানে খনন কার্যক্রম পরিচালনা করে অনেক প্রতিষ্ঠান। খননকাজের অব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকদের যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত না করায় প্রতিবছরই চীনের খনিতে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছেন শ্রমিকরা। গত বছর ডিসেম্বরেও একটি কয়লাখনিতে কার্বন মনো-অক্সাইড গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় ২৩ জন শ্রমিক মারা যান। ২০১৯ সালেও গুইঝু প্রদেশে খনি বিস্ফোরণে ১৪ শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন