• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১, ০৬:৫৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১, ১২:৫৪ পিএম

জার্মানিতে কে হচ্ছেন মেরকেলের উত্তরসূরি?

জার্মানিতে কে হচ্ছেন মেরকেলের উত্তরসূরি?
ফাইল ফটো।

জার্মানি তথা গোটা ইউরোপের ব্যাপক জনপ্রিয় নেতা ও দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করে আসা চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের উত্তরসূরির খোঁজে রোববার ভোট দিচ্ছে জার্মানরা। তবে এ কাজ সহজ হচ্ছে না। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনমত জরিপে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।   

সংসদীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনে দেশটির ১৬টি রাজ্যের মানুষ ভোট দিচ্ছেন। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় শনিবার বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল রক্ষণশীল দলের প্রার্থী আরমিন লাশেটের হয়ে ভোট চেয়েছেন তার নিজ শহর আশেনে। তবে চূড়ান্ত জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, রক্ষণশীলদের জয়ের সম্ভাবনা কম।   

ফলে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশটির নেতৃত্ব কার কাছে যাচ্ছে তা আন্দাজ করা যাচ্ছে না। আঠারো বছরের বেশি বয়সী ছয় কোটির বেশি ভোটর নেতা নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায়। সন্ধ্যা ছয়টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর হয়তো জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। 

ভোটের আগের দুইদিন মেরকেল বারবার ভোটারদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘কে ক্ষমতায় আসবে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ মেরকেল বলছেন, জার্মানির স্থিতিশীলতা প্রয়োজন এবং তরুণদের প্রয়োজন সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ এবং তিনি মনে করেন এসব করতে পারবেন আরমিন ল্যাশেট, যার হয়ে তিনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। 

নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, দেশটির তিন-চতুর্থাংশের বেশি ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তারা কাকে ভোট দেবেন। অপরদিকে ইতোমধ্যে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার ভোট দিয়েছেন। ফলে কে হতে যাচ্ছেন মেরকেলের উত্তরসূরি তা আগাম বলা যাচ্ছে না। 

গত কয়েক মাসে জরিপে ক্ষমতাসীন দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) এবং তাদের জোটসঙ্গী বাভারিয়ার ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ) আধিপত্য করেছে। এক পর্যায়ে গ্রিন পার্টি উঠে আসে শীর্ষে। কিন্তু এরপর ওলাফ শলৎজ নেতৃত্বাধীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এসপিডি) উত্থান শুরু হয়। 
 
তিন চ্যান্সেলর প্রার্থীর মধ্যে সিপিডির ওলাফ শলৎজ এগিয়ে রয়েছেন। তিনি বর্তমান জোট সরকারে ডেপুটি চ্যান্সেলর এবং অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য দুই প্রার্থীর থেকে তার জন্য লড়াইটা সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে জয় পেলেও বাকি দুই দলের সমর্থন নিয়ে তাকে জোট সরকার গঠন করতে হতে পারে।

তিনি বলেছেন, ‘ভোটারদের সঙ্গে জোট গঠন করাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা এসপিডিকে যত শক্তিশালী করবে, আমাদের জন্য সরকার গঠন করাটা হবে তত সহজ।’ তবে বর্তমান জোট সরকারের মতো দুই দলকে নিয়ে জোট গঠন করার সম্ভাবনা কম দেখছেন বিশ্লেষকরা। তিন দলের জোটের ইঙ্গিত দিচ্ছেন তারা।
 

 

জাগরণ/এসকেএইচ