• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১, ১২:৫০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১, ১২:৫২ এএম

সূর্যের উত্তাপে গলল না নাসার যান!

সূর্যের উত্তাপে গলল না নাসার যান!
ছবি-সংগৃহীত ।

সূর্যের উত্তাপেই পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার। সে না থাকলে এই গ্রহ আর পাঁচটা গ্রহের মতো শীতল মৃত্যুপুরীতে পরিণত হতো। তবে এই আনন্দে কিন্তু সূর্যের ধারেকাছে যাওয়া যায় না। তাকে দূর থেকে দেখাই ভাল। কাছে গেলেই পুড়ে ছাই হতে হবে। কিন্তু নাসার মহাকাশ যান সূর্যের কাছে পৌঁছে গেছে। সেখান থেকে অত্যাশ্চর্য সব ছবি পাঠিয়েছে সে। 

হয়তো ভাবছেন এসব গল্পকাহিনি। না। নাসার ‘পার্কার সোলার প্রোব’ সূর্যের বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়েছিল। অদ্ভুত ব্যাপার হল, সূর্যের পিঠের তাপমাত্রার চেয়ে তার বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ১০ লক্ষ গুণ বেশি। অথচ সূর্যের এই ভীষণ উত্তাপের উৎস তার ভেতরে অবস্থিত পারমাণবিক চুল্লী। হিসেবমতো সূর্যপৃষ্ঠই বেশি গরম হওয়া উচিত। কিন্তু তা নয়। এই রহস্যের খোঁজেই সূর্যের বায়ুমণ্ডলের দিকে পাড়ি দিয়েছিল নাসার পার্কার সোলার প্রোব। 

তবে একেবারে বায়ুমণ্ডলের খাস জায়গায় নিশ্চয়ই যায়নি সে। সে জায়গা সূর্যের পিঠ কয়েক লক্ষ কিলোমিটার দূরে। আর নাসার যান যেখানে পৌঁছেছিল, তা সূর্যের থেকে দেড় কোটি কিলোমিটার দূরে। এই পর্যন্ত পৌঁছনোর জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মহাকাশযানটিকে একটি বিশেষ আবরণী দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছিল যাতে সে গলে না যায়। 

সোলার প্রোব যেখানে ঢুকে পড়েছিল সেখানে ইতিউতি ঘুরে বেড়াচ্ছে তড়িদাহত গ্যাস এবং প্লাজমা কণার দল। যে ‘করোনাল স্ট্রিমার’ সূর্যের বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে তাও দেখতে পেয়েছে নাসার যান। করোনাল স্ট্রিমার পৃথিবী থেকেও দেখা যায়, শুধুমাত্র সূর্যগ্রহণের সময়, তাও বিশেষ কিছু জায়গা থেকে। সোলার প্রোব যে ভিডিও পাঠিয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন।    

 

এসকেএইচ//