• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯
প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০২২, ১২:০৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ২০, ২০২২, ০৬:০৭ পিএম

ইউরোপে ফের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে গ্যাজপ্রম

ইউরোপে ফের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে গ্যাজপ্রম
ফাইল ফটো

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি কোম্পানি গ্যাজপ্রম জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অন্যতম পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-১ চলতি মাসের শেষের দিকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ থাকবে। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে গ্যাজপ্রম কর্তৃপক্ষ।

নতুন করে কোম্পানিটির এ ঘোষণাকে ভালোভাবে দেখছে না ইউরোপের দেশগুলো। রক্ষণাবেক্ষণের নামে রাশিয়া সম্পূর্ণভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করতে পারে বলেও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে গ্যাজপ্রম জানায়, নর্ড স্ট্রিম-১ এর একমাত্র টারবাইন ৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

কোম্পানিটি আরও জানায়, চুক্তি অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণের এ কার্যক্রম জার্মানির অংশীদার প্রতিষ্ঠান ‘সিমেন্স এনার্জি’র সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হবে।

মাত্র এক মাস আগেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এ পাইপলাইন বন্ধ করেছিল মস্কো। ওই দফা রক্ষণাবেক্ষণের পর পাইপলাইন দিয়ে গ্যাসজপ্রম সক্ষমতার মাত্র এক পঞ্চমাংশ গ্যাস ইউরোপে সরবরাহ করছে। ফলে নতুন করে রক্ষণাবেক্ষণের এই ঘোষণাকে সন্দেহের চোখে দেখছে ইউরোপ। 

বরাবরের মতো জার্মানির অভিযোগ, রাশিয়া তার জ্বালানিকে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করছে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণেই এমনটি হচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করার জন্য এটি মস্কোর রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

গ্যাজপ্রম বলেছে, একবার কাজ শেষ হয়ে গেলে, নর্ড স্ট্রিম-১ এর মাধ্যমে গ্যাসের প্রবাহ দৈনিক ৩৩ মিলিয়ন ঘনমিটারে দাঁড়াবে। যদিও তা স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র এক পঞ্চমাংশ। 

জার্মানির স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, গ্যাস সরবরাহের প্রবাহ কমিয়ে দেয়ায় দেশটির উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গ্যাসের কারণে এরইমধ্যে দাম বেড়েছে অন্যান্য জিনিসের।  

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর পর থেকেই মস্কোর উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো। জবাবে ইউরোপের একাধিক দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করেছে রাশিয়া। চাপে রয়েছে জার্মানিসহ ইউরোপের একাধিক দেশ। 

জাগরণ/বিশ্বজ্বালানি/এসএসকে/কেএপি