• ঢাকা
  • সোমবার, ২০ মে, ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২৩, ১২:২৮ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২২, ২০২৩, ১২:২৮ এএম

যুক্তরাজ্যের রাস্তায় লাখো মানুষের বিক্ষোভ

যুক্তরাজ্যের রাস্তায় লাখো মানুষের বিক্ষোভ
ছবি ● সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বিরতির দাবিতে এবার লন্ডন জুড়ে বিক্ষোভ করেছে প্রায় এক লাখ মানুষ। 

শনিবার মধ্য লন্ডনে ফিলিস্তিনির পক্ষে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে যোগ দেয়। বিক্ষোভ মিছিলটি রাজধানীর মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ডাউনিং স্ট্রিটের দিকে যায়। এসময় "ফ্রি প্যালেস্টাইন", ব্যানার ধরে এবং ফিলিস্তিনি পতাকা নেড়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিয়ে বিভিন্ন দেশেই বিক্ষোভ হচ্ছে।

শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া থেকে শুরু করে তিউনিসিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে মুসলিমরা ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ করেছে।

একইরকম বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে যুক্তরাজ্যে। লন্ডনে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সামাল দিতে মাঠে নামানো হয়েছে ১ হজারেরও বেশি পুলিশ কর্মকতা।

লন্ডনে এই বিক্ষোভে আনুমানিক ১ লাখ মানুষ যোগ দিয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।

পুলিশ বিক্ষোভের আগে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ হামাসের প্রতি সমর্থন দেখালে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং  অপরাধের কোনো ঘটনাকে সহ্য করা হবে না।

বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

লন্ডনে পদযাত্রায় নামা বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের মুক্তি এবং ইসরায়েলের ধ্বংসের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছে। ওদিকে, বার্মিংহাম এবং সালফোর্ডের বাইরে ছোটখাট ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলার পর ইসরায়েল গাজায় বিদ্যুতের পাশাপাশি খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহও বন্ধ করে দিয়েছে। জাতিসংঘ সেখানকার পরিস্থিতিকে বিপর্যয়কর আখ্যা দিয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। 

আমেরিকার মতো যুক্তরাজ্যও হামাসের সঙ্গে সংঘাতে ইসরায়েলের পাশে আছে। ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুকে এমন আশ্বাসই দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।

এর একদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েল সফরে গিয়ে একই আশ্বাস দিয়েছেন।

গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধাদের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের আরোপ করা অবরোধের মধ্যে শনিবার প্রথম সাহায্য পৌঁছেছে। এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলের টানা বিমান হামলায় ৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

জাগরণ/আন্তর্জাতিক/ফিলিস্তিনইসরায়েলযুদ্ধ/এসএসকে