• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২১, ০৮:৩০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৮, ২০২১, ১২:৩৮ এএম

সব আমারে দিয়ে বলাচ্ছেন কেন? : আবদুল কাদের মির্জা

সব আমারে দিয়ে বলাচ্ছেন কেন? : আবদুল কাদের মির্জা

বর্তমানে আবদুল কাদের মির্জা একটি আলোচিত নাম। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে অপরাজনীতির চর্চা, ভোট বাণিজ্য, টেন্ডার-চাকরি বাণিজ্য, মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন তিনি। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সমালোচনা করে আলোচনায় এসেছেন কাদের মির্জা। তিনি বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই। ১৫ জানুয়ারি শনিবার পৌর নির্বাচনে তিনি তৃতীয়বারের মতো পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। সেসব বিষয়ে নিয়ে রোববার (১৬ জানুয়ারি) দৈনিক জাগরণের মুখোমুখি হন আবদুল কাদের মির্জা


জাগরণ: পৌর নির্বাচনের আগে আপনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করেছেন। ভোটের অপরাজনীতি নিয়ে কথা বলেছেন। এই সমালোচনা কি চলমান থাকবে, নাকি এখানেই শেষ?

আবদুল কাদের মির্জা : জাতীয় নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করার ঔদ্ধত্য আমার আছে নাকি? জাতীয় নেতারা গায়ে পড়ে কথা বলেছে, আমি সেটা উত্তর দিয়েছি মাত্র। মাহবুব উল আলম হানিফ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন, আমি পাল্টা একটা জবাব দিয়েছি। কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক খান আমাকে বলছেন যে— আমি পাগল, উন্মাদ। আপনাকে বললে আপনি কি চুপ করে বসে থাকবেন? যত শক্তিধর লোকই হোক, তার বিরুদ্ধে আমি বলে যাব। গোপালগঞ্জে ৯৯ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগার। সেখান থেকে যে নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি আগে মন্ত্রী ছিলেন, এখন নেই, কেন নেই? নিশ্চয় উনার কোনো অপকর্মের কারণে নেই। উনি আমাকে বলবে, আর আমি চুপ করে বসে থাকব?

জাগরণ: তাহলে আপনার কথা কি ব্যক্তিস্বার্থের জন্য বলা?

মির্জা কাদের : আমি ব্যক্তিস্বার্থে কোনো কথা বলিনি। সব কথাই রাজনীতির স্বার্থে বলেছি। দেশ ও জনগণের স্বার্থে, আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গতিশীল করার লক্ষে এসব কথা বলেছি।

জাগরণ : অনেকে মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের আচরণ করা আপনার ভোটে জয়ী হওয়ার কৌশল। এর ব্যাখ্যা আপনি কিভাবে দেবেন?

কাদের মির্জা : আমি কি ভোটের জন্য কৌশল অবলম্বন করেছি নাকি বাংলাদেশের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি? ভোটের যে সিস্টেম চালু হয়ে আছে জিয়াউর রহমানের আমল থেকে, সেটার বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এটা সময় প্রমাণ করে দেবে।

জাগরণ : অভিযোগগুলো তো আপনি দলীয় ফোরামেও আলোচনা করতে পারতেন, জনসভায় কেন করলেন?

কাদের মির্জা : এ বিষয়গুলো আমি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের দলীয় ফোরামে বলেছি। জনসম্মুখে আলোচনা করেছি একারণে যে, এগুলো যে চলছে তা সবাই জানে।

জাগরণ : নোয়াখালীর এমপি একরাম চৌধুরী এবং ফেনীর নিজাম হাজারীর কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত বলবেন?

কাদের মির্জা : দেখুন, আমি এ অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি। তারা টেন্ডার-বাণিজ্য, চাকরি-বাণিজ্য করে। আমার বাড়িতে ফেনীর মাদক সম্রাটেরা চারবার আক্রমণ করেছে। আমি নিজাম হাজারীকে জানিয়েছি। তারা ‘আন্ডু-গান্ডু’ নিয়ে আমার বাড়িতে আসছে। কী জন্য আসছে তারা? প্রশাসনের মাধ্যমে অথবা তারা নিজেরাই ব্যবস্থা নিতে পারতো। এটা না করে তারা আমার কাছে আসছে সিনক্রিয়েট করার জন্য। এটা ওবায়দুল কাদের সাহেবকে দেখানোর জন্য যে, আমরা এটার বিচার করেছি। আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবকে এটা নিয়ে বলি নাই, কারণ সারা বাংলাদেশ নিয়ে তার ব্যস্ত থাকতে হয়।

দেখুন, নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের যে কমিটিটা করা হলো, এটা কাদের নিয়ে করলো? এরা কারা? ওয়ান ইলেভেনে যারা জননেত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আমাদের দলের নেতাকর্মীদেরকে জেলে দিয়েছে, নাজেহাল করেছে, রিমান্ড দিয়েছে, তারা যদি আমাদের সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়, হাওয়া ভবনের লোকেরা যদি সহ-সভাপতি হয়— তা তো দুঃখজনক। ১৫—২০ জন যাদেরকে এখানে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তারা নিতান্তই বসন্তের কোকিল। ত্যাগী নেতারা বাদ পড়েছে। এজন্যই আমি প্রথমে এটার প্রতিবাদ করেছি। পরবর্তী পর্যায়ে তারা বিভিন্ন এলোমেলো কথাবার্তা আমাকে বলেছে। নোয়াখালীর কবিরহাট এলাকার এক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কিছু ‘আন্ডু-গান্ডু’ নিয়ে আমাকে অপমান করার চেষ্টা করেছে। আমি উত্তর না দিয়ে চলে এসেছি। সবকিছু মিলিয়ে তাদের অপরাজনীতি নিয়ে কথা বলেছি। এই অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। আমি কোনোভাবেই অপরাজনীতি বরদাশত করবো না।

জাগরণ : মাদক সম্রাট বলতে আপনি কাদের কথা বলেছেন?

কাদের মির্জা : এগুলো তারা পালে। আমরা এগুলো চিনি নাকি?

জাগরণ : নির্বাচনি সহিংসতা নিয়ে আপনি শঙ্কায় ছিলেন। কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন, অবশেষে জয়ী হয়েছেন।  কিসের শঙ্কা ছিল?

কাদের মির্জা : নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পেছনে আমি আগেও শতভাগ আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু আমার শঙ্কা ছিল যে, নোয়াখালী এবং ফেনী থেকে সন্ত্রাসীরা আসবে। বিভিন্নভাবে আমার কাছে খবর আসে। এগুলো জানার পর আমাদের মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেবকে জানাই। তিনি দায়িত্ব নেয়ার কারণে এখানে সহিংসতা হয়নি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি।

জাগরণ :  আপনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য নেতাদের অপকর্মের কারণে ভোট কমছে। বিষয়টি বিস্তারিত বলবেন কি?

কাদের মির্জা : বলেছি যে, সবাইকে সতর্ক করার জন্য। আজ যাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে, এর মধ্যে কিছু ব্যবসায়ী আছে। ব্যবসায়ীও রাজনীতি করার অধিকার রাখে। তবে তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। অনেকে রাজনীতির সাথেও জড়িত নেই। এরা রাজনীতিতে এসে রাজনীতিকে কলুষিত করছে। অপরাজনীতির হোতাই হলো এরা। আমি বলছি, এদের থেকে দলকে উদ্ধার করার কথা। এদের থেকে দলকে উদ্ধার করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বলেছি।

জাগরণ : পৌর নির্বাচনের আগে কেন এসব বললেন?

কাদের মির্জা : পৌর নির্বাচনের আগে আমি আসলে আমেরিকায় গিয়েছিলাম দুইটি টিউমারের অপারেশন করাতে। আমার মনে হয়েছিল, জীবনের অবসান সেখানেই ঘটবে। তাই দেশে ফিরে এসে আমি বলেছি, যে কয়টা দিন বেঁচে থাকি, সাহস করে সত্য কথা বলব। অন্যায় অবিচার জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব। এ কষ্টটা আমার দীর্ঘদিনের।

জাগরণ : তার মানে আগে মিথ্যে বলতেন?

কাদের মির্জা : দেখুন, মিথ্যা কথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আমি আগে থেকেই করে আসছি। আমি আমার এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশে প্রথম নকলমুক্ত কোম্পানীগঞ্জ ঘোষণা করে তা বন্ধ করেছি। প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ করেছি। ছোটখাটো জায়গায় থাকি, এগুলো মিডিয়ায় স্থান পায়?  হয়তো-বা এখন যেভাবে সরব হয়েছি, এভাবে সরব হয়ে আগে বলিনি।

জাগরণ :  প্রতিবাদ কি অব্যাহত থাকবে?

কাদের মির্জা : এটার যদি কোনো সুরাহা না হয় তাহলে অবশ্যই অব্যাহত থাকবে। আমি কারো পরিবর্তন চাই না। আমি পরিবর্তন চাই অপরাজনীতির। পরিবর্তন চাই্ টেন্ডারবাজির, চাকরি বাণিজ্যের পরিবর্তন চাই। এগুলো আমার দলকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

জাগরণ : আপনি বলেছিলেন—সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনশ এমপির পালানোর সুযোগ থাকবে না, এ রকম মন্তব্য করেছিলেন আপনি, কেন?

কাদের মির্জা : এগুলো ‘প্রথম আলো’ বলে, তারা তো বসে বসে সারাদিন সরকারের বিরুদ্ধে বলে। আমি বলেছি বৃহত্তর নোয়াখালী নিয়ে। আমি তিনশ এমপির কথা কোথায় বললাম? কোনো ডকুমেন্ট আছে? আমি ছোটলোক, সারা বাংলাদেশের খবর জানি না। অকারণে সেটা নিয়ে মন্তব্য করতে যাব কেন? ছোট মুখে বড় কথা বলতে যাবো কেন?

জাগরণ : বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ কথাগুলো উঠে এসেছে।

কাদের মির্জা : বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে আসছে এগুলো সঠিক না। এগুলো ‘প্রথম আলো’র কাজ। শেখ হাসিনা জাতির জন্য যে এত কাজ করছে, সেগুলো তারা দেয় না।

জাগরণ : জয়ী হওয়ার পর থেকেই আপনি আগে যেভাবে কথা বলছিলেন, এখন সেভাবে বলছেন না। কেন?

কাদের মির্জা : আসলে আমি খুব অসুস্থ। যেভাবে আমি কথা বলেছি, সেটার বাইরে আমি যাইনি। আপনারা চান যে, আমি শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলি?

জাগরণ : আপনি তো বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন, বর্তমানে তো আওয়ামী লীগই ক্ষমতায়।

কাদের মির্জা : বতর্মান কেন? কোন আমলে অবস্থা ভালো ছিল? আমার বক্তব্য স্পষ্ট— জিয়াউর রহমান ক্যামেন্টম্যান্ট থেকে ক্ষমতা দখল করেছিল, হ্যাঁ/না ভোট দিয়ে ভোট চুরি করে এদেশে ‘ভোট চুরির রাজনীতি’ চালু করেছেন। দেশে অনিয়ম চালু করে, ভোটের রাজনীতিকে কলঙ্ক করেছেন। একই ধারাবাহিকতায় এরশাদও কাজ করছেন। কেবল ১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যে নির্বাচন হয়েছে, সেটা ফেয়ার নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া একটা নির্বাচন দেখান, যে নির্বাচনটা গত দুই সরকারের আমলে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে? ১৯৯৬ এবং ২০০৮ সালে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এবং বাংলাদেশে অনেক নজির আছে, বাংলাদেশে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

আমার বক্তব্য হচ্ছে, যাদের সৃষ্টি হয়েছে ক্যান্টনমন্ট থেকে, তারা তো অপরাজনীতির হোতা, তারা তো এ দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার মতো মানসিকতা পোষণ করে না।

জাগরণ : তাহলে বিকল্প কী?

কাদের মির্জা : শেখ হাসিনাই পারে এ দেশের মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। তিনি মানুষের ভোট এবং অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান ফিরিয়ে দিয়েছেন। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। এখন ভোটের অধিকারটাও শেখ হাসিনার পক্ষে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। খালেদা জিয়া এখন সরকারের সাথে আপোস করে  বাসায় শুয়ে আছেন। তারেক জিয়া দুর্নীতিবাজ, তারা কী প্রতিষ্ঠা করবে?

জাগরণ : তৃণমূল পর্যায়ে আপনি দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন, আওয়ামী লীগ কি তার পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পারবে?

কাদের মির্জা : ত্যাগী নেতাদেরকে যদি আওয়ামী লীগ মূল্যায়ন করে, আওয়ামী লীগ আবার ৬৯, ৭০, ৭১ বা এর পরবর্তী পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর আমলে যে অবস্থানে ছিল, সেখানে ফিরবে। শেখ হাসিনা যেদিন বাংলাদেশে এসেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বিরাট সমাবেশ আর কখনো হয়নি। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শিরোনাম করেছিল, “গতকালকের ঢাকা ছিল একান্ত শেখ হাসিনার।” শেখ হাসিনা কাঁদার সাথে সাথে প্রকৃতিও যেন কেঁদেছে। সেদিনটার সে দুটো লাইন আমার এখনো স্মরণ আছে। সেই আওয়ামী লীগ, সেই মিছিল কোথায়? আমরা ক্ষমতার ১২ বছর পার করছি। আওয়ামী লীগের সে আকাঙ্ক্ষা কোথায়? বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা দিয়েছেন, শেখ হাসিনা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। এখন আমি ভোটের ব্যবস্থা এবং অপরাজনীতির পরিবর্তন চাই। যারা সত্যিকারার্থে ত্যাগী নেতাকর্মী, তাদেরকে দলে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ যদি সৃষ্টি করা যায়, তাহলে আমরা আমাদের দলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পারব।

জাগরণ : শনিবার বসুরহাটে যে নির্বাচন হলো, সেটা নিয়ে কি আপনার কোনো অভিযোগ আছে?

কাদের মির্জা : আমার এলাকায় নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিয়মের প্রশ্নই ওঠে না। চুরি তো দূরে থাক, কোনো নেতা ভোটকেন্দ্রের পাশেও যেতে পারেননি।

জাগরণ : অন্য জায়গায় নির্বাচন ঠিকমতো হয়েছে বলে মনে করেন?

কাদের মির্জা : অন্য জায়গায় যেগুলো হয়েছে সেগুলো কি ভোট? আটজন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হয়েছে। কীভাবে জিতলো তারা? আর কী মন্তব্য করব বলেন? সব আমারে দিয়ে বলাচ্ছেন কেন?