• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ০৫:০৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৩, ২০২১, ০৫:০৩ পিএম

খরা

খরা

ওপরে মেঘলা আকাশ, দুচোখের দরজায় কাজলের ছোঁয়া 
মনের বসত ঘরে কনকনে হাওয়া, শুভ্র বীজের রোয়া। 
কুয়াশায় শীতের সকাল, ধানের শিষে জমা রুপোলি শিশির
কতকাল কেটে গেছে গল্পের আদলে, নমিতা পিসির।

সেখানে উর্বর গানে সময় অবাদ ছিল, কথার ফাঁকে
সুখদহ গাঁয়ের আগুন পুড়ে পুড়ে খাঁটি হলো, উদ্গত বাঁকে।
এখন বয়েস অনেক, সনদের মূল্য নেই, কীসের সন্তান?
দেওয়ান অহর্নিশি চড়ুই মেজাজে থাকে, মধুর কলতান।
অনন্ত গোরের ভয়ে রাত কাটে অর্ঘুমে, পূর্ণ কোথায়?
কাঠগড়ায় আসামি অলীকের পোশাকে, শোষকের রায়।
চাঁদের জ্যোৎস্নায় কষ্টেরা শঙ্খে লুকোয়, অতীত পাহাড়
ডাইনিং-এ সাজানো সৃষ্টির অমূল্য সব, বাহারি আহার।
শক্রর বাড়াবাড়ি, সত্যের আড়াআড়ি, রক্তের কূলে
হাদিসের বাণীতে পাপীর টনক নড়ে, জীবনের ভুলে।
প্রজন্ম রাখবে ধরে পৃথিবীর ধারা, ঝংকারে মোক্ষম মাটি
গুণিজন হয়রান, কেঁদে কেঁদে নদী, গোটাদেশ নরকের ঘাঁটি।

হায়াত ষাট হলে বছর বিশেক বাকি, ভেতরের সংসার অতৃপ্তে ভরা
কিছুই পায়নি সে, এভাবে-ওভাবে যা, বর্ষার অভাবে অন্তরে খরা।