• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ০৭:০৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ০৭:০৫ পিএম

শবে বরাত নিয়ে আদেশ দেয়নি দ্বিতীয় বেঞ্চও

জাগরণ প্রতিবেদক
শবে বরাত নিয়ে আদেশ দেয়নি দ্বিতীয় বেঞ্চও
হাইকোর্ট- ফাইল ছবি

 

শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণ সংক্রান্ত আবেদনে আদেশ দেয়নি হাইকোর্টের দ্বিতীয় বেঞ্চও। এ নিয়ে করা রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছে, এটা ধর্মীয় বিষয়। এ বিষয়ে আমরা হস্তক্ষেপ করবো না।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) শাবান মাসের চাঁদ দেখা ও শবে বরাত নিয়ে ‘মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ সংগঠনের পক্ষে ১০ ব্যক্তির করা রিটের শুনানি করতে গেলে হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করে।

আদালত বলে, শবে বরাতের দিন নিয়ে সিন্ধান্ত ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। আমরা এখন আর হস্তক্ষেপ করবো না। আপনারা চাইলে অন্য বেঞ্চে যেতে পারেন।

এ সময় রিটকারীদের আইনজীবী তৈমুর আলম খোন্দকার আদালতকে বলেন, এ বছরের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্য চাঁদ দেখার পদ্ধতিগত বিষয় নিয়ে একটা আদেশ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে চাঁদ দেখায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনের নির্দেশ দিতে পারেন। 

তখন আদালত আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে কী ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, সে বিষয়গুলো সংযুক্ত করে আপনারা আদালতে একটি আবেদন করেন। আমরা বিষয়টি পরবর্তীতে শুনবো।

গতকাল বুধবার (১৭ এপ্রিল) হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চে গত ৬ এপ্রিল চাঁদ দেখা নিয়ে এক রিট আবেদনের অনুমতি চাইতে গেলে আদালত বলেছিলেন, এখন একেবারেই লাস্ট স্টেজ। এ অবস্থায় নতুন করে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

গত ৬ এপ্রিল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা করে জানিয়েছিল, ওইদিন দেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ৮ এপ্রিল থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে এবং ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র লায়লাতুল বরাত পালিত হবে।

তবে ‘মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ নামে একটি সংগঠনের দাবি, সেদিন খাগড়াছড়িতে চাঁদ দেখা গেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র লায়লাতুল বরাত পালিত হওয়ার কথা। এ নিয়ে বিতর্ক এড়াতেই জরুরি বৈঠক ডাকে সরকার।

এর মধ্যে সাব কমিটি মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বৈঠক করার পর ২১ এপ্রিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে সরকার। এরপরও ‘মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ নামক সংগঠনের ১০ জন হাইকোর্টে রিট করেন। এরপর বিব্রত প্রকাশ করেন হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। আজ রিটকারীরা আবার আদালতে যান।

এমএ/টিএফ