• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৯, ১৪ আষাঢ় ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০১৯, ০৯:৪৮ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১২, ২০১৯, ০৯:৫৬ এএম

নবজাতক পাচারে ২ জনের যাবজ্জীবন

খালাস পেলো ঢামেকের বয় ও আয়া

জাগরণ প্রতিবেদক
খালাস পেলো ঢামেকের বয় ও আয়া

এক যুগ আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে নবজাতক চুরি করে পাচারের দায়ে ২ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। অন্যথায় আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড।

মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার তৃতীয় মানব পাচার দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার এই রায় দেন। দণ্ডিতরা হলেন- গাজীপুরের বোর্ডবাজার কুনিয়াপাচু এলাকার ঝর্ণা বেগম এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার চাঁনমারা বস্তির মানিক।

রায় শুনে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো দণ্ডিত মানিক কান্নায় ভেঙে পড়েন। দণ্ডিত ঝর্না পলাতক রয়েছেন। রায়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আব্দুল মতিন এবং বিশেষ আয়া শিলাকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম ৮ থেকে ১০ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন। ঝর্ণা বেগম তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তার নয়। এছাড়া তার হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে।

ঝর্ণা জানান, ছেলে শিশুটি তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় মানিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কন্যাশিশুটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন। মামলার তদন্ত শেষে খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ঝর্ণা বেগমসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, নবজাতক ২টির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামি মানিক ও ঝর্ণা বেগম বাচ্চা চুরি করার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। ঝর্ণাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতকে পুলিশ এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছিল, ঝর্ণা বেগম শিশু বাচ্চা সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন। দীর্ঘদিন তিনি দুবাইতে ছিলেন।


এইচ এম/একেএস

Space for Advertisement