• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০১৯, ০২:০০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১২, ২০১৯, ০২:০১ পিএম

খালেদার ১১ মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৭ জুলাই

জাগরণ প্রতিবেদক
খালেদার ১১ মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৭ জুলাই


হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগসহ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা ১১ মামলার শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ জুলাই ধার্য করেছে আদালত। এসব মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল আজ বুধবার। তবে এসব মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট স্থগিত করেছে, জানিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। 

এর পরিপ্রেক্ষিতে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে আসামিপক্ষের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

১১টি মামলা হচ্ছে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় করা নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ী থানার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি।

১১ মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। অপর ১০ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিকে, যাত্রাবাড়ী থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী।

ওই ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপ-পরিদর্শক এসআই কে এম নুরুজ্জামান। ওই বছরের ৬ মে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহমেদ।

অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।

২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে মামলাগুলোয় চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। সবগুলো মামলায় খালেদা জিয়াকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। পরে খালেদা জিয়া মামলাগুলোয় আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।

এমএ/আরআই 

Islami Bank