• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০১৯, ০৬:৫১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১৮, ২০১৯, ০৬:৫২ পিএম

ডেঙ্গুকে অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করছে, এই শঙ্কায় লিগ্যাল নোটিশ

জাগরণ প্রতিবেদক
ডেঙ্গুকে অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করছে, এই শঙ্কায় লিগ্যাল নোটিশ

শত্রুভাবাপন্ন কোনও দেশ বা গোষ্ঠী ডেঙ্গু জ্বরকে অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ বা পরীক্ষা চালাচ্ছে কি—না - এমন শঙ্কা থেকে জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেটরসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি একটি আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান এ নোটিশ পাঠান। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান ওই আইনজীবী।

নোটিশে ডেঙ্গু ঠেকাতে বা নির্মূলে জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকেও নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

ওই আইনজীবী বলেন, ডেঙ্গু প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়। এর পাশাপাশি সম্ভবত শত্রুভাবাপন্ন কোনও দেশ বা গোষ্ঠী এই ডেঙ্গু জ্বরকে অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ বা পরীক্ষা চালাচ্ছে। এ কাজে মশাকে রোগ ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে- সেই আশঙ্কা থেকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

ওই আইনজীবী এক বইয়ের বরাত দিয়ে বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অপারেশনের (পিএক্স) নামে জাপান ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগের ভাইরাসকে জীবাণু অস্ত্রে রূপান্তর করে আমেরিকা আক্রমণ করে।

আইনজীবী বলেন, ‘ডেঙ্গু সংক্রান্ত বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি বছরের মতো এবারও এই সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, যারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে একটি গবেষণা চলছে। শিগগিরই গবেষণা প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে।

ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেছেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হন তখন তার ক্ষেত্রে রোগটি বেশি জটিল হতে পারে।

সাধারণভাবে ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্তরা হয় উপসর্গবিহীন (৮০%) অথবা সাধারণ জ্বরের মতো সামান্য উপসর্গ থাকে। বাকিদের রোগ হয় আরও জটিল (৫%) এবং স্বল্প অনুপাতে এটি প্রাণঘাতী হয়। ইনকিউবিশন পিরিয়ড (উপসর্গসমূহের সূত্রপাত থেকে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ের মধ্যবর্তী সময়) স্থায়ী হয় ৩-১৪ দিন, কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা হয় ৪-৭ দিন।

এমএ/এসএমএম 

আরও পড়ুন

Islami Bank