• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ৩০, ২০১৯, ০৭:৪৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ৩০, ২০১৯, ০৭:৪৩ পিএম

অবশেষে রাজউক কর্মকর্তা সদরুল কারাগারে 

জাগরণ প্রতিবেদক 
অবশেষে রাজউক কর্মকর্তা সদরুল কারাগারে 
গ্রেপ্তার শাহ মো. সদরুল আলম - ছবি : ইন্টারনেট

বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রাজউকের সহকারী পরিচালক  (নিরীক্ষা ও বাজেট) শাহ মো. সদরুল আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় সদরুলকে প্রিজনভ্যানে আদালত থেকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। তিনি সাধারণ সেলে রয়েছেন। কারাগারের গেটে স্বজনরা তার সঙ্গে দেখা করে ব্যবহারিক সামগ্রী ও শুকনো খাবার দিয়েছেন বলে কারা সূত্র জানিয়েছে।   

এর আগে সকালে সদরুল আলমকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে আইনের আওতায় নেয়ার জন্য জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিনের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গতকাল সোমবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৫ জন মারা যান, আহত হন আরও ৭৩ জন। গত ২৬ জুন নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে এফআর টাওয়ার ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে মালিক, রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

একটি মামলার আসামিরা হলেন- এফআর টাওয়ারের মালিক এস এম এইচ আই ফারুক, কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসভীর-উল-ইসলাম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান কে এ এম হারুন, সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম তরফদার, ভবন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের কর্ণধার লিয়াকত আলী খান মুকুল, রাজউকের সাবেক পরিচালক শামসুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিচালক শাহ মো. সদরুল আলম, সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, সহকারী অথরাইজড অফিসার নজরুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক জাহানারা বেগম, সহকারী পরিচালক মেহেদউজ্জামান, নিম্মমান সহকারী মুহাম্মদ মজিবুর রহমান মোল্লা, অফিস সহকারী এনামুল হক ও বিসিএসআইআর সদস্য (অর্থ) মুহাম্মদ শওকত আলী, সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবদুল্লাহ আল বাকি, গণপূর্ত অধিদফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ নাজমুল হুদা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সামছুর রহমান।

মামলায় ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারের ১৯তলা থেকে ২৩তলা নির্মাণ, বন্ধক প্রদান ও বিক্রির অভিযোগে দণ্ডবিধির সাতটি ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭- এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এইচ এম/ এফসি

আরও পড়ুন