• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ০৮:৫৯ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১২:০২ পিএম

স্কুলছাত্রী রিশা হত্যা মামলার রায় আজ

জাগরণ প্রতিবেদক
স্কুলছাত্রী রিশা হত্যা মামলার রায় আজ
স্কুল ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা

স্কুলছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেন নিহতের মা তানিয়া হোসেন এবং বাবা মো, রমজান মিয়া। আজ  বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রিশা হত্যা মামলার রায় হতে যাচ্ছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আদালত সূত্র বলেছে, রাজধানীর কাকরাইলে বখাটের ছুরিকাঘাতে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশার (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা হবে আজ।  ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুপুরে এই রায় ঘোষণা করবেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আসামির উপস্থিততে রায় ঘোষণার জন্য ৬ অক্টেবর তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। কিন্তু ওইদিন আসামি ওবায়দুল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। এজন্য আদালত রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১০ অক্টোবর নির্ধারণ করেন।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রিশাকে ছুরিকাঘাত করে ওবায়দুল হক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট মৃত্যু হয় রিশার। হত্যাকাণ্ডে তার মা তানিয়া হোসনে বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। 

মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সের বৈশাখী টেইলার্সে একটি পোশাক বানাতে দেয় রিশা। ওই টেইলার্সের রশিদে বাসার ঠিকানা ও রিশার মায়ের মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। সেই রশিদ থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ওবায়দুল খান (২৯) রিশাকে ফোনে উত্ত্যক্ত করতো। পরে ফোন নম্বরটি বন্ধ করে দিলে ওবায়দুল স্কুলে যাওয়ার পথে রিশাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রিশাকে ছুরিকাঘাত করে ওবায়দুল।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর মামলাটি তদন্ত করে ওবায়দুল হককে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আলী হোসেন। এক বছর পর গত ১৭ এপ্রিল মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলাটিতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এইচ এম/বিএস 
 

আরও পড়ুন

Islami Bank