• ঢাকা
  • বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ০১:০৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ০১:১৩ পিএম

হামজা ব্রিগেডকে অর্থায়ন: আপিল নিষ্পত্তিতে ৪ সপ্তাহ সময়

জাগরণ প্রতিবেদক
হামজা ব্রিগেডকে অর্থায়ন: আপিল নিষ্পত্তিতে ৪ সপ্তাহ সময়

জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডকে অর্থায়নের মামলায় হাইকোর্টে দায়ের করা আপিল ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। মামলাটির কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল রেখে এই আদেশ দেন আপিল বিভাগ। 

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। দুই আইনজীবী হাসানুজ্জামান লিটন ও মাহফুজ চৌধুরী বাপনের পক্ষে ছিলেন এএম আমিন উদ্দিন, এএম মাহবুব উদ্দিন।

২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মাদরাসাতুল আবু বকর নামে একটি মাদরাসায় ‘জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে’ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি বাঁশখালী উপজেলার লটমণি পাহাড়ে র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে র‌্যাব-৭ এর কর্মকর্তারা জানান, হাটহাজারী ও বাঁশখালী থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা নতুন জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের সদস্য। এই ব্রিগেডের ৩টি সামরিক উইং আছে। এগুলো হলো- গ্রিন, ব্লু এবং হোয়াইট। প্রত্যেক উইংয়ে ৭ জন করে সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য আছেন। ২০১৩ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম নগরের ফয়েস লেকে একটি রেস্টুরেন্টে সভা করে এই জঙ্গি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটান সংগঠকরা।

পরে ১৮ আগস্ট হামজা ব্রিগেডকে অর্থায়নের অভিযোগে ঢাকা থেকে আইনজীবী ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা (৩৯), অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন (৩০) ও অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপনকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

চলতি বছরের ২০ আগস্ট হাটহাজারীর মামলায় ৩৩ জন ও বাঁশখালীর মামলায় ২৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে আদেশ দেন চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল হালীম। তবে পলাতক থাকায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন ও অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন। গত ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগ ৪ সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন বলে জানিয়ে ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম বলেন, হাইকোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশের ওপর আপিল বিভাগ কোনো ইন্টারফেয়ার করেননি। ৪ সপ্তাহের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন।

এমএ/একেএস

আরও পড়ুন