• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৪:০৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৪:০৬ পিএম

চার্জ শুনানি পিছিয়ে ১৮ মার্চ

আবরার হত্যা মামলা দ্রুত বিচারে পাঠানোর আবেদন

জাগরণ প্রতিবেদক
আবরার হত্যা মামলা দ্রুত বিচারে পাঠানোর আবেদন
আবরার ফাহাদ - ফাইল ছবি

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ। তিনি বলেছেন, সাড়ে ৫ মাসেও বিচারিক আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন না হওয়ায় তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আদালত আগামী ১৮ মার্চ পুনরায় দিন ধার্য করেন। পরে আবরারের বাবা গণমাধ্যমকে মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদনের বিষয়টি জানান। 

এসময় আবরারের বাবা আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি স্থানান্তর হলে দ্রুত সময়ে ন্যায়বিচার পাবেন তারা।

এদিকে পলাতক তিন আসামি মামলার বিচারকাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আবরারের ছোট ভাই ফাইয়াজ। তিনি বলেন, পুলিশের উচিত দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা। 

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে যাওয়ার গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় চার্জ শুনানির নতুন তারিখ দেয়া হয়।

এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি আবরার হত্যা মামলার নথিটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত। 

গত ১৩ নভেম্বর আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রটি আদালতে জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান। অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ১৯ জন। এছাড়া তদন্তে আরও ছয় জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

আবরার হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন— মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায়, শিবির সন্দেহে তাকে ডেকে নিয়ে বন্ধ ঘরে পিটিয়ে মেরেছেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন। 

এফসি