• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১৪ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৪:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৪:৫৬ পিএম

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে ‘জাতীয় দিবস’ ঘোষণার নির্দেশ

জাগরণ প্রতিবেদক
ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে ‘জাতীয় দিবস’ ঘোষণার নির্দেশ
ফাইল ছবি

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে ‘জাতীয় দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে আগামী এক মাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় যথাযথ স্থানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের নির্দেশও প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রদত্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে এক মাসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতেও বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই সমন্বিত আদেশ দেন।

২০০৯ সালে জারিকৃত এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি, এক মাসের মধ্যে লিখিতভাবে তা ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাঠ্য বইয়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ইতিহাস কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ।  রাষ্ট্রপক্ষের ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

০১৭ সালের ২০ নভেম্বর এক রিটের শুনানি নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে সেখানে তার ভাস্কর্য এবং ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পরে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতি বিজড়িত স্থান রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে সরকারের নেয়া পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এসকে