• ঢাকা
  • রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০১৯, ০৩:১২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ২৬, ২০১৯, ০৯:১৮ পিএম

ইউডা, সোডা ও কোডার গণহত্যাদিবস ও কালরাত পালন 

জাগরণ ডেস্ক
ইউডা, সোডা ও কোডার গণহত্যাদিবস ও কালরাত পালন 
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও কালরাত স্মরণে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা), সোডা, কোডার কর্মসূচি - ছবি : জাগরণ

সিফাদ ফাউন্ডেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা), সোডা, কোডার আয়োজনে সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও কালরাত স্মরণে সর্বস্তরের শিল্পীদের অংশগ্রহণে চলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পথচিত্রাঙ্কন। সন্ধ্যায় শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ার মধ্য দিয়ে রাতব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়। গণসঙ্গীত ও কবিতা পাঠের আসরের পর মধ্যরাতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।  

পথচিত্রাঙ্কনের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক জামাল আহমেদ। তিনি ভাষণে তার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ২৫ মার্চ দিনটি এখনো আমার স্মৃতিতে জাগরুক। ৫০ হাজারের বেশি মানুষকে সেদিন হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। আমরা এরপর থেকে লড়াই-সংগ্রাম করে দীর্ঘ ৯ মাস পরে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘৭১-এর পর থেকেই পালন করার উচিত ছিল। কিন্তু সেটি দীর্ঘদিন আমাদের আড়ালে ছিল। এই সিফাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সোডা, কোডা, ইউডার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আপামর জনসাধারণকে নিয়ে যেভাবে দীর্ঘদিন ধরে দিবসটি পালন করে আসছে সেই কারণে তাদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই প্রতিষ্ঠান এমন নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উব্দুদ্ধ হয়ে পথ দেখাক নতুন প্রজন্মকে এই প্রত্যাশা রাখেন তিনি।  

ইউডার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়্যারমান অধ্যাপক মুজিব খান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জাতীয় গণহত্যা দিবস দাবিতে এ প্রতিষ্ঠান সোচ্চার ছিল, আগামীতেও যে আন্তর্জাতিকভাবে দাবি আদায়ের বিষয়েও এই প্রতিষ্ঠান সোচ্চার থাকবে। 

তিনি বলেন, আমরা প্রায় দুই যুগ ধরে ২৫ শে মার্চের শহীদদের স্মরণে ও গণহত্যা দিবসের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান করে এসেছি। যাদের রক্তে আমরা স্বাধীন হয়েছি তাদেরকে স্মরণ না করে পরের দিন ২৬ মার্চ পালন করার বিষয়টি আমাদের ভালো লাগত না। বিবেকের কাছে অন্যায় মনে হতো। সেই তাড়না থেকেই আমরা এই কাজটি করে এসেছি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমরা বর্তমান সরকারপ্রধানকে ধন্যবাদ দিতে চাই এদিনকে গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায়। আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিকে আমরা কোডা, সোডা ও ইউডার পক্ষ থেকে সমর্থন করছি। আমরা মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করার যে কমিনমেন্ট করেছি সেই ওয়াদা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি। 

ইউডার ভিসি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম শরীফ বলেন, সেই রাতে আমাদের মেধাবী, বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিকামী মানুষদের হত্যার যে নারকীয় তাণ্ডব পাকহানাদার বাহিনী করেছে তা বাঙালি জাতির অপূরণীয় ক্ষতি।  

২৬ মার্চ ভোরে স্বাধীনতা দিবসের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও কালো পতাকা নামিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শেষ হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এফসি