• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০১৯, ০৬:১৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১০, ২০১৯, ০৬:২০ পিএম

‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ’

জাগরণ প্রতিবেদক
‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ’
মাসিক সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি-ছবি : জাগরণ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সূর্য সৈনিক বীরমুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গৃহীত সকল উন্নয়ন প্রকল্প সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে। আর সেটা করতে হবে আসন্ন ‘মুজিব বর্ষ’ ও ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ উদযাপনের অংশ হিসেবে। এ লক্ষ্যে অর্থবছরের প্রথম থেকেই কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ-পূর্বক লক্ষ্য ভিত্তিক কাজ করতে হবে।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে পরিবহন পুল ভবনের মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

‘সকল জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ’ ও ‘সকল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প দুটির আলোচনাকালে মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি দুটির অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও অবশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে।

বিভিন্ন কমপ্লেক্স ও জাদুঘরে বিকৃত প্রতিকৃতি নির্মাণের বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাতির জনকসহ অন্যান্য জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের প্রতিকৃতি ও মুরাল নির্মাণে সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

‘মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প’ বিষয়ক আলোচনাকালে মন্ত্রী বলেন, জাদুঘর নির্মাণের ডিজাইন প্রস্তুতকালে জমির দুষ্প্রাপ্যতার কথা মাথায় রাখতে হবে। শহর থেকে দূরে জনহীন প্রান্তরে জাদুঘর নির্মাণ করলে সেটা সাধারণ মানুষের কোনও কাজে আসবে না।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক-হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সকল বধ্যভূমি চিহ্নিত ও সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে। 

অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন প্রকল্পের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৬ হাজার অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে ১৫ লাখ টাকার মধ্যে বাসস্থান নির্মাণ করে দেয়া হবে। এ লক্ষে বাস্তবসম্মত নকশা প্রণয়ন পূর্বক ‘মুজিব বর্ষ’-এর মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে।

সভায় ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ণ’, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ’, ‘নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণ’, ‘মু্ক্তিযুদ্ধের স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণ ও পুনঃনির্মাণ’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম আরিফুর রহমান ছাড়াও, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিএইচ/এসএমএম

আরও পড়ুন

Islami Bank