• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২০, ২২ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২০, ০১:৪৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ১৪, ২০২০, ১২:৩২ পিএম

ষড়যন্ত্রের জালে বিপন্ন রাজনীতি-২৫

হিংস্র সমরনায়কের তাণ্ডব (তিন)

আবেদ খান
হিংস্র সমরনায়কের তাণ্ডব (তিন)

জেনারেল জিয়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে গোয়েন্দা বিভাগে নিয়োজিত ছিলেন। তখন থেকেই তিনি সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। কাউকে তিনি বিশ্বাস করতে পারতেন না। কারও ওপর তিনি ভরসা করতেন না। তিনি সবসময় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আতঙ্কে থাকতেন। প্রায়শই গভীর রাতে সন্দেহভাজন সরকারি আমলা ও রাজনীতিকদের অনাহুত ফোন করতেন এবং জানতে চাইতেন তারা এখন কি করছেন। একজন স্বৈরাচারী, স্বেচ্ছাচারী ও চক্রান্তকারী হিসাবে সন্দেহপ্রবণ মানসিকতার কারণেই তিনি এমনটি করতেন। নিজে ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন বলেই তিনি ষড়যন্ত্রের জালে আটকে যাওয়ার ভয়ে সবসময় ভীতসন্ত্রস্ত থাকতেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় শঙ্কিত থাকতেন। আর এ কারণেই তিনি ঢাকা শহরের বড় বড় গাছ গেছে কেটে ফেলেন। তিনি মনে করতেন চলতি পথে এসব গাছের আড়াল থেকে যে কোনও সময় তার ওপর আক্রমণ হতে পরে। ফলে তিনি গণহারে বৃক্ষনিধন করেন। তার এই বৃক্ষনিধন অভিযান থেকে রেহাই পায়নি শতবর্ষী নাগলিঙ্গম গাছ পর্যন্ত।

জেনারেল জিয়া ছিলেন নৃশংস প্রকৃতির মানুষ। অতিশয় ধূর্ত ও ঠান্ডা মাথার খুনি। নিজের লক্ষ্য হাসিলের জন্য পরম উপকারীকেও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে একটুকু দ্বিধাবোধ করতেন না। তিনি নাশতার টেবিলে একহাতে খাবার খেতেন আর অন্যহাতে ফাঁসির আদেশে সই করতেন।

........‘’........

জেনারেল জিয়া ছিলেন নৃশংস প্রকৃতির মানুষ। তিনি ছিলেন অতিশয় ধূর্ত ও ঠান্ডা মাথার খুনি। নিজের লক্ষ্য হাসিলের জন্য পরম উপকারীকেও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে একটুকু দ্বিধাবোধ করতেন না। তিনি নাশতার টেবিলে একহাতে খাবার খেতেন আর অন্যহাতে ফাঁসির আদেশে সই করতেন। শুধু সরকারি হিসাবমতে, ৭৭ সালের ৯ অক্টোবরে থেকে শুধু দুই মাসের মধ্যে জেনারেল জিয়া ১ হাজার ১৪৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। প্রকৃতপক্ষে এই হিসাবের বাইরে আরও প্রায় ২ হাজার জনকে গোপনে ফাঁসি দেন। আইনকে কোনও প্রকার তোয়াক্কা না করে, আসামিদের কোনও প্রকার আত্মপক্ষের সুযোগ না দিয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ক্ষমতা পাকা পোক্ত করতে জিয়াউর রহমান কতটা হিংস্রতার নজির রেখেছেন তা ভাবলে গা শিউরে উঠে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এদেশে হত্যা, খুন কীভাবে বেড়েছিল তা কল্পনাও করা যায় না। হত্যা, গুম, খুন, ক্যু এর পর ক্যু— আর সেটা ছিল জেনারেল জিয়ার আমল।

মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের প্রতি জেনারেল জিয়া যে আগাগোড়া কতটা নির্মম ছিলেন তা শহীদ মোজাম্মেল হক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে খুব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। এই মোজাম্মেল হক ছিলেন সাভারে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক। ঢাকা (উত্তর) ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নিয়ে সাভার থানা মুজিববাহিনীর সদস্য হন। সৎ ও দুঃসাহসী ছাত্র নেতা হিসেবে তখন তার বিশেষ সুনাম ছিল।

১৯৭৩ সালের গোড়ার দিকে টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের একটা গোপন বৈঠক হয়। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন বিশিষ্ট নেতা-কর্মী ছাড়াও সেখানে অন্যান্য সমমনা দলের নেতা ও সেনাবাহিনীর কয়েকজন ‍অফিসার উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন বলে মোজাম্মেল ভারতীয় সাংবাদিক পরেশ সাহাকে জানান। মোজাম্মেল হকও সেখানে আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত ছিলেন। এই সভার আলোচ্য বিষয় ছিল—  বাংলাদেশের ওই সময়ের রাজনৈতিক অবস্থা। বিভিন্ন দিক আলোচনার পর ওই বৈঠকে দেশের সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। এ ব্যাপারে একজন গেরিলা বঙ্গবন্ধুকে বাঁচিয়ে রেখেই সরকার পরিবর্তনের পক্ষে মত দেন। কিন্তু জিয়া সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থান নেন। তিনি বলেন, ‘না, তাহলে হবে না, তাকে বাঁচিয়ে রাখলে সবকিছু পণ্ড হয়ে যাবে।’ ‘বঙ্গবন্ধুকে রেখে না মেরে’— এই প্রশ্নে ওই বৈঠক শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়। আর ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে মোজাম্মেল হক আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

জেনারেল জিয়া তার শাসনামলে সেনাবাহিনীকে পরিপূর্ণভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে খুবই চেষ্টা করেন। কিন্তু পারেননি, উপরন্তু একটা পর একটা অভ্যুত্থান সেনাবাহিনীতে হতেই থাকে। আর প্রতিটি উত্থানের পর তিনি নির্বিচারে বহু সেনা সদস্যকে তিনি ফাঁসিতে ঝোলান। 

........‘’........

জেনারেল জিয়া তার শাসনামলে সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বাহিনীকে পুনর্গঠন করেন। নতুন সৈন্যদের দিয়ে তিনি ৫টি ডিভিশন তৈরি করেন। অন্যদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া যেসব সৈন্য দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিলেন, তাদের বিভিন্ন ডিভিশনে এবং বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেন। যেসব প্রবীণ অফিসারদের তিনি উচ্চাভিলাষী বলে মনে করতেন, তাদের তিনি সরিয়ে দেন রাজধানী ঢাকা থেকে অনেক দূরে। মীর শওকত আলিকে যশোরে, নূরউদ্দিনকে কুমিল্লায় এবং মঞ্জুরকে চট্টগ্রামে। ঢাকায় তিনি তার কাছে রাখেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। কেননা এই এরশাদকে তিনি সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতেন এবং কম উচ্চাকাঙ্ক্ষী বলে মনে করতেন। এভাবে তিনি সামরিক বাহিনীতে অভ্যুত্থানের শঙ্কা কমানোর চেষ্টা করেন। জেনারেল জিয়া বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় ছিলেন প্রায় সাড়ে ৫ বছর। এই সময় দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে সেনা অভ্যুত্থান ঘটেছে বা অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে প্রায় ২০টি। গড়ে প্রতি ৩ মাসে একটি করে অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের অভ্যুত্থান হয় ‘৭৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। এই অভ্যুত্থানে বিদ্রোহীরা জেনারেল জিয়ার বাসভবনও আক্রমণ করে। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের কারণে বিদ্রোহীরা সুবিধা করতে পারেনি।

জেনারেল জিয়া তার শাসনামলে সেনাবাহিনীকে পরিপূর্ণভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে খুবই চেষ্টা করেন। কিন্তু পারেননি, উপরন্তু একটা পর একটা অভ্যুত্থান সেনাবাহিনীতে হতেই থাকে। আর প্রতিটি উত্থানের পর তিনি নির্বিচারে বহু সেনা সদস্যকে তিনি ফাঁসিতে ঝোলান। অনেককে বিনা বিচারে হত্যা করে গণকবর দেয়া হয়। বিশেষ করে ‘৭৭ সালের ২ অক্টোবর বিমান বাহিনীর অভ্যুত্থানের পরে শত শত লোককে বিনা বিচারে অথবা সংক্ষিপ্ত বিচারে হত্যা করা হয়। ফলে এমন অবস্থা দাঁড়ায় যে, বিমান বাহিনীতে মাত্র ১১ জন কর্মকর্তা ছিলেন। তাদের মধ্যে বিমান চালাতে পারতেন মাত্র ৩ জন।  

জিয়া ঘোষিত মার্শাল ল’ ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচারের নামে প্রহসনে একেক জন সৈনিকের জীবন-মরণের সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাইব্যুনাল প্রধানরা এক মিনিটেরও কম সময় নিতেন— যাদের অনেকেরই আর্মি অ্যাক্ট অনুসারে বিচারক হবার যোগ্যতা ছিল না। 

........‘’........

১৯৭৭-এর ৩০ সেপ্টেম্বর ও ২ অক্টোবর যথাক্রমে বগুড়া ও ঢাকায় ব্যর্থ সেনা-অভ্যুত্থানের পর গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার করে সেনা ও বিমানবাহিনীর শত শত নন-কমিশন্ড অফিসার ও সৈনিককে ফাঁসিতে ঝোলানে হয়। ১৮, ১৯, ২০ ও ২১ অক্টোবর রাজশাহী কারাগারে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। জিয়া ঘোষিত মার্শাল ল’ ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচারের নামে প্রহসনে একেক জন সৈনিকের জীবন-মরণের সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাইব্যুনাল প্রধানরা এক মিনিটেরও কম সময় নিতেন— যাদের অনেকেরই আর্মি অ্যাক্ট অনুসারে বিচারক হবার যোগ্যতা ছিল না। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর আড়াই হাজার অফিসার হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে জানানো হয়নি ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কাদের এবং কতজনকে সুস্পষ্ট কী অপরাধে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল।

১৯৮৭ সালে বিমান বাহিনী থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ইতিহাস’ পুস্তিকার একটি অধ্যায়ে বলা হয়, ‘‘ওই ঘটনার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৫৬১ জন বিমানসেনা প্রাণ হারায়।’’ 

পরে ওই পুস্তিকা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৮ সালের ৫ মার্চ লন্ডন টাইমস-এর এক প্রতিবেদন বলা হয়, ‘ওই ঘটনায় সামরিক বাহিনীর ৮ শতাধিক সদস্যের সাজা হয় এবং প্রায় ৬০০ জনকে ফাঁসির মাধ্যমে কিংবা ফায়ারিং স্কোয়াডে হত্যা করা হয়, তাদের অধিকাংশই বিমান বাহিনীতে ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের প্রতি জেনারেল জিয়ার ছিল একটি গভীর টান। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খালেদ মোশারফ ও শাফায়াত জামিল যখন খুনি অফিসারদের ‘ফিনিস’ করার দায়িত্ব নিতে চান তখন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানই তাদের বাধা দেন। বলেন, এর ফলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে কোনও বিদেশি রাষ্ট্র নাক গলাতে পারে। তাতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপদের মুখ পড়বে। তাই এ ক্ষেত্রে মাথা গরম করলে চলবে না। মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করতে হবে। তাই আসুন বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবনা-চিন্তা করি। রাতের দিকে আবার বৈঠকে বসি।’

সে বৈঠকে আর বসেননি। তার আগেই জিয়া সেনাবাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের নিরাপত্তা জোরদারের ব্যবস্থা করেন।

বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের প্রতি জেনারেল জিয়ার ছিল একটি গভীর টান। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খালেদ মোশারফ ও শাফায়াত জামিল যখন খুনি অফিসারদের ‘ফিনিস’ করার দায়িত্ব নিতে চান তখন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানই তাদের বাধা দেন। 

........‘’........

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আড়াই মাসের মাথায় বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশারফের ধাক্কা পড়ে তাদের ওপর। খুনিরা কয়েকদিনের জন্য ক্ষমতা থেকে ছিটকে যায়, আর ঘাতকদের কয়েকজন দেশ ছেড়ে পালায়। এর কয়েকদিন পরেই ফের পুরো ক্ষমতা চলে আসে জিয়ার হাতে। তখনও তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের কথা ভোলেননি। তাদের জন্য তিনি বরাদ্দ করেন বিদেশি দূতাবাসে লোভনীয় চাকরি। এরফলে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকরা উপকৃত হয়। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসের কাজ নিয়ে বিদেশে সুখে-শান্তিতে দিন যাপন করে। এভাবে যাদের পুরস্কৃত করা হয় তারা হলেন— লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (প্রথম সচিব- চীন), লে. কর্নেল আজিজ পাশা (প্রথম সচিব- আর্জেন্টিনা), মেজর মহিউদ্দিন (দ্বিতীয় সচিব- আলজেরিয়া), মেজর শাহরিয়ার (দ্বিতীয় সচিব- ইন্দোনেশিয়া), মেজর বজলুল হুদা (দ্বিতীয় সচিব- পাকিস্তান), মেজর রাশেদ চৌধুরী (দ্বিতীয় সচিব- সৌদি আরব), মেজর নূর (দ্বিতীয় সচিব- ইরান), মেজর শরিফুল হোসাইন (তৃতীয় সচিব- কুয়েত), ক্যাপ্টেন কিসম‍ৎ হোসাইন (তৃতীয় সচিব- আবুধাবী), লে. খায়রুজ্জামান (তৃতীয় সচিব- কানাডা), লে. আবদুল মজিদ (তৃতীয় সচিব- সেনেগাল)।

মেজর রশিদ এবং মেজর ফারুক বাংলাদেশের বিদেশি দূতাবাসে কোনও চাকরি নেননি। তারা দু’জনেই লিবিয়ায় চলে যায়। সেখানে মোটা বেতনের সরকারি চাকরি নেয়। তবে এক পর্যায়ে ফারুক-রশিদ বিদেশে থাকাটাকে আর যৌক্তিক মনে করেনি। তারা দেশে ফিরে তাদের ‘হিস্যা’ বুঝে নিতে তৎপর হয়ে ওঠে। কিন্তু জেনারেল জিয়া তাদের দেশে ফিরতে দিতে নারাজ। ফলে ফারুক-রশিদ সুদূর লিবিয়ার বেনগাজিতে বসেই জিয়া উৎখাতের নীল নকশা তৈরি করে। এ বিষয়ে বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে।

 আবেদ খান ● সম্পাদক, দৈনিক জাগরণ

আরও পড়ুন