• ঢাকা
  • রবিবার, ০৭ মার্চ, ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২১, ০২:৩৩ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৮, ২০২১, ০৪:৫১ পিএম

শীতে ৭ দিনে মখমলে চুল

শীতে ৭ দিনে মখমলে চুল

শীতের শুষ্কতায় বেহাল হয়ে যায় চুল। ধুলাবালি, বাতাসের আর্দ্রতার প্রভাব পড়ে চুলের ওপর। রোজ শ্যাম্পু না করলে তৈলাক্ত ভাবও যেন কাটে না। যারা প্রতিদিন বাইরে যাচ্ছেন, তাদের চুলের যত্ন নেওয়ারও তেমন সময় হয় না। এর  সমাধান পেতে পারেন মাত্র এক সপ্তাহে। টানা ৭ দিন একইভাবে চুলের যত্ন নিন, উজ্জ্বলতা ফিরে চুল হবে মখমলে।

আমলকীর তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন, টানা ১০ মিনিট। এতে চুল পড়া কমে। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য চুলের ক্ষতিও সেরে যায়। চিরুনি দিয়ে স্ক্যাল্পে জমা তেলকে ছড়িয়ে দিন। এতে রক্ত চলাচল বেড়ে যাবে। যা চুলের জন্য বেশ উপকারি।

গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চুলে জড়িয়ে নিন। এতে চুলের গোড়া পর্যন্ত তেল যাবে। শুষ্কতাও কমবে। তোয়ালে যতক্ষণ গরম থাকবে ততক্ষণ মাথায় লাগিয়ে রাখুন।

চুলে ঘরোয়া মাস্ক লাগাতে পারেন। পেঁপে, কলা বা অ্যাভোকাডো, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে লাগাতে পারেন। তৈলাক্ত চুলের জন্য স্ট্রবেরি, কিউয়ি আর অ্যালোভেরার প্যাক খুব কাজে দেয়।

ভালো ব্যান্ডের শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। যাতে সালফেট ও প্যারাবেন মুক্ত থাকবে। এই দুটি উপাদান থাকলে নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহারে চুলের স্বাভাবিক তেল নষ্ট হবে।

শেষ ধাপে ব্যবহার করুন কন্ডিশনার। সরাসরি চুলে কন্ডিশনার লাগালে চুল বেশি ভারী হয়ে যায়। তাই স্প্রে বোতলে এক কাপ পানি, এক চা-চামচ নারকেল তেল, আধা কাপ নারকেলের দুধ আর আধা কাপ অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এরপর তা সরাসরি চুলে স্প্রে করুন। এটি ব্যবহারের পর চুল ধোওয়ার প্রয়োজন নেই।

ঘরের তাপমাত্রায় দুই সপ্তাহ বেশ ভালো থাকবে এই কন্ডিশনারটি। প্রতিবার ব্যবহারের আগে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন।