• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০, ০৫:৪৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০, ০৫:৪৫ পিএম

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ড. নাছিমের ‘স্বপ্ন ও সাফল্যের রসায়ন’

জাগরণ প্রতিবেদক
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ড. নাছিমের ‘স্বপ্ন ও সাফল্যের রসায়ন’
‘স্বপ্ন ও সাফল্যের রসায়ন’ এর প্রচ্ছদ

লে খ ক সং বা দ

.......

ড. নাছিম আখতার— পেশায় একজন অধ্যাপক। অঙ্গীকারে লেখক। তার পেশা ও অঙ্গীকারের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তা বৈরী নয় মোটেই বরং বিষয়টি একে অপরের পরিপূরক ও সম্পূরক। ড. নাছিম নিয়মিত লিখছেন মূলধারার বিভিন্ন জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিকে। অনাহুত লেখক সাজবার ইচ্ছে তার মধ্যে নেই। প্রচারবিমুখ এই মানুষটি লেখেন সামাজিক দায়িত্ব পালন এবং নিজস্ববোধ থেকে। রাষ্ট্র ও সমাজকে এগিয়ে নেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তার প্রত্যেক প্রবন্ধের মধ্যে যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে প্রবন্ধগুলোর সমষ্টিগত উপস্থাপনার মধ্যেও। তিনি যে বিষয়েই লেখেন না কেন তাতে আদর্শিক বিবেচনাকে কখনই উপেক্ষা করেন না। তার লেখা এবং বক্তব্য যেমন গভীর, তেমনি উপস্থাপনা প্রীতিপদ।

এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত  হয়েছে ডা. মো. নাছিম আখতারের ‘স্বপ্ন ও সাফল্যের রসায়ন’ শিরোনামের বই। বইটি প্রকাশ করেছে অনিন্দ্য প্রকাশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ।

অধ্যাপক নাছিম আখতার ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। কর্মজীবনে তিনি অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক ও সিন্ডিকেট মেম্বারের দায়িত্ব সততা ও সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন।

তিনি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে রিসোর্স পারসন হিসেবে কাজ করেছেন। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার ও কনফারেন্সে তিনি সেশন চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বইটিতে ড. নাছিম বতর্মান সময়কে প্রাধান্য দিয়েছেন। তার সৃজনশীল ভাবনা আবর্তিত হয়েছে সমাজ ও রাষ্ট্রের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতকে ঘিরে। তিনি নিজে স্বপ্ন দেখেন, অন্যকেও অনুপ্রাণিত করেন। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক ভাবনার মধ্যেই রয়েছে স্বপ্ন ও সাফল্যের মেলবন্ধন। স্বপ্ন এগিয়ে যাবে তার বাস্তব গন্তব্যে যদি মানুষ সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও ভাবনায় অগ্রগামী হতে পারে।

তিনি বিশ্বাস করেন মানুষ তার স্বপ্নের সমান বা স্বপ্নের চেয়েও বড়। তিনি তার লেখার মাধ্যমে মানুষকে ইতিবাচক ভাবনায় অনুপ্রাণিত করেন।

জেডএইচ/এসএমএম