• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জুন ২০, ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ২০, ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম

দুর্নীতিবাজদের পক্ষে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে: কৃষক সমিতি

জাগরণ প্রতিবেদক 
দুর্নীতিবাজদের পক্ষে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে: কৃষক সমিতি

কৃষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বাজেট দুর্নীতিবাজ, লুটপাটকারী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে বোরো মৌসুমে কৃষকের নীট ক্ষতি সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা সেখানে তাদের আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা কৃষকের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে কৃষিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন)  বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এ সব দাবি করেন। খোদ কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে হবে ২১ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী দাবি পক্ষ পালন করছে কৃষক সমিতি।
 
কর্মসূচির অংশ হিসাবে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারিভাবে খাদ্যগুদাম নির্মাণ, জাতীয় বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকি বাড়নো, বিএডিসিকে সচল করা, কৃষকদের সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহারসহ কৃষকদের দাবি দাওয়া নিয়ে কৃষক সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন-  কৃষক নেতা নিমাই গাঙ্গুলী। বক্তব্য রাখেন কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন প্রমুখ।
 
নেতৃবৃন্দ বলেন, কৃষকরা তার ফসরের লাভজনক দাম পাচ্ছে না, মধ্যসত্ত্বভোগী, ফরিয়া দালাল চাতাল মালিক এবং দলীয় টাউটদের হাতে কৃষকরা জিম্মি হয়ে আছে, অন্যদিকে সরকার কৃষিবান্ধব নীতির কথা বলে কৃষকের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করছে। দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষের জীবিকা যেখানে কৃষির উপর নির্ভরশীল সেখানে বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ মাত্র ৪ শতাংশ। কৃষি বাজার ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ, লুটপাট ও সরকারের ভুল নীতির কারণে যখন কৃষকের ত্রাহি অবস্থা তখন কৃষিতে ভর্তুকি না বাড়িয়ে বরং সংকোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। 

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, আমদানি রপ্তানি নীতিমালা কৃষকের পক্ষে গ্রহণ করতে হবে, খোদ কৃষকের কাছ থেকে ফসল কিনতে হবে, কৃষকের বিরুদ্ধে সকল সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার এবং বিএডিসিকে সচল করতে হবে। 

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ ঘোষণা করেন আগামী ২১ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত কৃষকের “দাবি পক্ষে” সারাদেশে মিছিল সমাবেশ ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কৃষকের উপরোক্ত দাবিসমূহ সরকারের কাছে পেশ করা হবে। দাবি মানা না হলে কৃষকদের নিয়ে আরও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

টিএস/বিএস