• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০১৯, ০২:০১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ১৪, ২০১৯, ০২:১৮ পিএম

ঈদের তৃতীয় দিনেও ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়, যাত্রী ভোগান্তি চরমে

জাগরণ প্রতিবেদক
ঈদের তৃতীয় দিনেও ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়, যাত্রী ভোগান্তি চরমে
ঈদের তৃতীয় দিনেও কমলাপুরে সিডিউল বিপর্যয়, ট্রেনের অপেক্ষায় শত শত মানুষ

ঈদের তৃতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়। আর এ কারণে ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। কমলাপুর থেকে সঠিকভাবে মনিটরিং না করার কারণে ঢাকায় ফিরতে এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। 

সরেজমিনে দেখা যায়, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। গন্তব্যে যেতে অপেক্ষা করছেন শত শত মানুষ। কিন্তু ট্রেনের দেখা নেই। কর্তৃপক্ষ বেলছেন, আবারও ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়। 

জানা যায়, ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে সকাল ৬টায় আন্তঃনগর ধুমকেতু এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ট্রেন আসার কোনো খবর নেই। নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষার পর রেলের শিডিউলে দেখা যায়, ট্রেন ঢাকা থেকে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর ৭টায় ছেড়ে যাবে। যদিও এটি নির্দিষ্ট নয়, সম্ভাব্য সময় দেয়া হয়েছে।

একই অবস্থা ঢাকা থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেসের। ট্রেন কমলাপুর থেকে সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে যাবে বলে ট্রেনের শিডিউলে ঝুলে দেয়া হয়েছে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা নিয়ে নানা ভোগান্তি ছিল। সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ট্রেন পরদিন ছেড়ে গেছে এমন ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু ঈদের পরও একই অবস্থা বিরাজ করবে এমনটি মানতে পারছেন না যাত্রীরা।

তারা বলছেন, ঈদের সময় মানুষের বাড়ি যাওয়ার তাড়া থাকে। তাই সাধারণত ওই সময় সিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। এ কারণে অনেকে ভোগান্তি এড়াতে ঈদের পরে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঈদের তৃতীয় দিন তারা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসেছেন। কিন্তু অবস্থা আগের মতই বিরাজ করছে। এতে তারা হতাশ হয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেনের অপেক্ষায় কমলাপুর রেলস্টেশনে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

এ বিষয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম দৈনিক জাগরণকে বলেন, বাস্তবে সিডিউল বিপর্যয় কেটে গেছে। এখন ট্রেন ধীর গতিতে চলছে। ইঞ্জিনের কোনো ত্রুটি আছে কি না তা পরীক্ষা করে ট্রেন ছাড়তে হয়। এ কারণে ট্রেনের সিডিউল হেরফের হতে দেখা যায়। বাস্তবে সিডিউল বিপর্যয় কেটে গেছে।


টিএইচ/একেএস

আরও পড়ুন

Islami Bank