• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০১৯, ০২:৩৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৯, ২০১৯, ০২:৩৫ পিএম

‘ ঘূর্ণিঝড় বুলবুল রাত ৮টার পর উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে’

জাগরণ প্রতিবেদক 
‘ ঘূর্ণিঝড় বুলবুল রাত ৮টার পর উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে’
সচিবালয়ে বৈঠকে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান- ছবি: জাগরণ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল শনিবার রাত ৮ থেকে ৯টার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। 

তিনি বলেছেন, ইতিমধ্যেই ৯টি জেলা থেকে ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুপুর ২টার মধ্যে আরো ১৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়া হবে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এখন (দুপুর ১টা) বাগেরহাটের মংলা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিলো বলে জানান তিনি। 

শনিবার (০৯ নভেম্বর) দুপুরে আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

বৈঠকে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও  ত্রাণ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামসহ আবহাওয়া বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

ব্রিফিংয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় ৭টি জেলায় ১০ নম্বর  সতর্কতা সংকেত দেয়া হয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও পিরোজপুরের প্রায় ৩ লাখ মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে। দুপুরের মধ্যে আরো ১৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, এসব এলাকার মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে আসতে চায় না। তবে জোর করে হলেও তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হবে।

এনামুর রহমান বলেন, উপদ্রুত এলাকাগুলোতে ৫ থেকে ৭ ফিট জলচ্ছাস হতে পারে বলে আমরা আশংকা করছি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই এসব এলাকার প্রতি জেলায় ২ হাজার করে মোট ১৪ হাজার শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে।  যার একটি প্যাকেটের খাবারে একটি পরিবার এক সপ্তাহ চলতে পারবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান এই সাত জেলার সাথে নোয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলাকেও সতর্কতার মধ্যে আনা হয়েছে। তাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এসব এলাকায় ৯ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেয়া হয়েছে। এসব এলাকায় ৫ লাখ করে মোট ৩০ লাখ নগদ টাকা, ১ শত মেট্রিকটন করে ৬ শত মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। 

ডা. এনাম বলেন, উপদ্রুত ১৫ জেলায় ১ লাখ টাকা করে গো খাদ্য বাবদ ও শিশু খাদ্যের জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। 

এমএএম /বিএস