• ঢাকা
  • সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ০৬:২০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ০৬:২০ পিএম

খুলনা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

জাগরণ প্রতিবেদক
খুলনা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান
দুদকের লোগো

দালালদের দৌরাত্ম্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে খুলনা পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। 

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তরুন কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
 
সরেজমিন অভিযানে দুদক টিম পাসপোর্ট অফিস চত্বরে দুইজন দালালকে অবৈধ অর্থ গ্রহণরত অবস্থায় পায়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহায়তায় তাদের অর্থদন্ড ও কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া, পাসপোর্ট অফিসের এক নৈশপ্রহরীর কাছে ৬৩টি ডেলিভারি স্লিপ পাওয়া যায়। পাসপোর্ট প্রস্তুত হলেও টাকার বিনিময়ে ডেলিভারি দেয়ার উদ্দেশ্যে স্লিপগুলো রাখার সত্যতা মেলে।

দুদক টিম কয়েকজন সেবাগ্রহীতাকে ফোন করলে তারা জানান যে, প্রতিটি স্লিপে তাদের কাছ হতে ৩৪৫০ টাকার পরিবর্তে ৫৫০০ টাকা করে গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে দুদক টিম পাসপোর্ট অফিসের ৪ কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।
 
এদিকে, জমির পর্চা উত্তোলনে সেবাগ্রহীতাদের কাছ হতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে জোনাল রেকর্ডরুম, নোয়াখালী সদরে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনাকালে জানা যায়, সরকারি কোষাগারে টাকা জমা না দিয়ে স্লিপের মাধ্যমে নোয়াখালীর রেকর্ড কিপার অধীনস্থ কর্মচারীর সহায়তায় সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। অভিযানকালে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পাঁচজন দালালকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের চলছে।
 
শিক্ষা বোর্ডে আগত সেবাপ্রার্থীদের নিকট হতে সেবা প্রদানের নামে উৎকোচ দাবি এবং দুর্ব্যবহার করার অভিযোগে, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগের নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কালোবাজারিতে সহায়তা করার অভিযোগে, বিনা টিকিটে ভ্রমনকৃত যাত্রীদের জরিমানার টাকা রশিদ ছাড়াই গ্রহণ করে আত্মসাৎ করার অভিযোগে এবং বিমানবন্দর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তারের বিরুদ্ধে ডিউটির সময়ে অনুপস্থিত থেকে রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান না করার অভিযোগে যথাক্রমে রাজশাহী জেলা কার্যালয়, পাবনা জেলা কার্যালয় এবং প্রধান কার্যালয় হতে ৫টি পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়।

এইচএস/বিএস