• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১, ১৫ মাঘ ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ০৮:১৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ৬, ২০২০, ০৮:১৯ পিএম

ইসির সঙ্গে বৈঠক

ঢাকা সিটির নির্বাচনে ইভিএম চায় না বিএনপি

ঢাকা সিটির নির্বাচনে ইভিএম চায় না বিএনপি
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি প্রার্থী ও নেতারা - ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে বলেছেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নীরবে-নিঃশব্দে ভোটচুরির প্রকল্প হল ইভিএম। পৃথিবীর দুইশ দেশের মধ্যে মাত্র ৪টি দেশে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। এই চারটি দেশের সরকার এবং নির্বাচন কমিশন কোনোটাই বিতর্কিত নয়। বাংলাদেশের সরকার এবং নির্বাচন কমিশন দুটি বিতর্কিত। ফলে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ইভিএম অন্তরায়।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন প্রার্থীবিহীন একটা নির্বাচন করে সরকার ক্ষমতা দখল করেছে। ২০১৮ সালে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এখন আবার এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছে। এখন ক্ষমতা দখলের একটি নতুন প্রক্রিয়া দেখতে পাচ্ছি সেটি হলো ইভিএম।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের ফলাফল কী হবে সেটা নির্ভর করবে ইভিএমের প্রোগ্রাম এর উপর। জনগণ যে ভোট দেবে সেই ভোটটা কাকে দেবে এর পেপার ট্রে নেই। ট্রে না থাকার কারণে ইভিএমের টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য জামিলুর রেজা চৌধুরী এই প্রকল্পে সই করেননি। ফলে সেখানে ভেরিফাই বা পরীক্ষা করার কোনো সুযোগ নাই। তারপরও নির্বাচন কমিশন রহস্যজনক কারণে ইভিএমে গেছে। জনগণ সারা দিন ভোট দেবে- তাতে কোন লাভ হবে না। কারণ ইভিএম এর প্রোগ্রামে সেট করা আছে, সেভাবেই ফলাফল আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তির মাধ্যমে টাকা চুরি করা হয়েছে। ফলে ইভিএমে একই প্রক্রিয়ায় ভোট চুরি হবে। এর মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে না।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমাদের একজন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরেকজন পর থেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ তাকে মুন্সিগঞ্জের আলু খেতে পাওয়া গেছে। সংরক্ষিত নারী আসনের আমাদের এক প্রার্থীর বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। ভয়-ভীতি দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরিয়ে ফেলার যে প্রক্রিয়া তা এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। অভিযানের নামে দেশের বিভিন্ন অভিযানের নামে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থক-এজেন্টদের হয়রানি করা হয়। বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনে তুলে ধরেছি। তারা আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন এই ধরনের অভিযান এবার হবে না।

নির্বাচনের সময় বিএনপির এক প্রার্থীকে গ্রেফতার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের জানিয়েছে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আর কাউকে গ্রেফতার করা হবে না যদি না দৃশ্যমান বড় ধরনের কোনো অঘটন ঘটে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পূর্বের কোনো মামলায় কোনো গ্রেফতার হবে না।

এইচএস/ এফসি

আরও পড়ুন