• ঢাকা
  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২০, ০৯:৩২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৯, ২০২০, ০৯:৩৪ পিএম

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রচারণা, সকালে নামছে বিজিবি

জাগরণ প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রচারণা, সকালে নামছে বিজিবি
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ● ফাইল ছবি

ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি নির্বাচন ২০২০

........................

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল থেকে ভোটার ও ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা দিতে মাঠে থাকবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। রাত ১২টার পর থেকে সব ধরনের প্রচার প্রচারণা বন্ধ থাকবে। 

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিজিবির সদস্যরা মাঠে নামবে। 

শুধু বিজিবি নয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরাও মাঠে থাকবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং দুইটি ওয়ার্ডের জন্য একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন। এরপর যদি কোনও প্রার্থী নির্বাচনি প্রচারণা চালান সেক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের ‘সামারি ট্রায়াল’ করে ব্যবস্থা নেবেন।

সিটি নির্বাচনে নামছে ৬৫ প্লাটুন বিজিবি

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) মাঠে নামছে ৬৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

ভোটের আগের দু’দিন, ভোটের দিন ও ভোটের পরদিন- মোট ৪ দিন বিজিবি নির্বাচনি মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে।

এ দুই সিটিতে আরও ৫ প্লাটুন করে মোট ১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ‘রিজার্ভ ফোর্স’ হিসেবে মোতায়েন থাকবে। 

ইসি সূত্র জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা উত্তরে ২৭ ও দক্ষিণে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনে ঢাকা উত্তরে ৫৪ ও দক্ষিণে ৭৬- মোট ১৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এ ক্ষেত্রে বিজিবির ১ প্লাটুনের সদস্য নিয়ে দুটি টিম গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। প্রতিটি টিমের নেতৃত্ব দেবেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ইসি সূত্র জানায়, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটগ্রহণের দু’দিন আগে, ভোটের দিন ও ভোটের পরদিন- মোট ৪ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবে। আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ৫ দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবেন। ভোটগ্রহণের আগের রাতে ভোট কর্মকর্তার সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তাকারী বাহিনীর সব সদস্য কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। 

রিটার্নিং অফিসার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে যে কোনও প্রয়োজনে ভোট কেন্দ্রের ফোর্স এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি করতে পারবেন। 

উভয় সিটিতে ৫টি করে র‌্যাবের রিজার্ভ টিম থাকবে।

ভোটের দিন ঢাকা ছাড়তে হবে যাদের

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের দিন যারা কোনও কারণ ছাড়াই ঢাকা এসেছেন তাদের রাজধানী ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান ইসি সচিব মো. আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ ও বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ১৪ দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অভিযোগ করে সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে সহিংসতা করতে বিএনপি বহিরাগতদের ঢাকায় নিয়ে এসেছে।

পরে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম ও র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি।

বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, অন্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে এলাকায় ভোট থাকে, সেই এলাকায় ভোটের দিন বাইরের কোনও লোক অবস্থান করতে পারে না। এটা রাজধানী। মানুষকে বিভিন্ন প্রয়োজনে এখানে আসতে হয়। ঢাকায় ভোটার ছাড়া কোনও লোক থাকতে পারবে না বা বাইরের কেউ আসতে পারবে না- এগুলো করা যাবে না। বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যে, ভোটের দিন যেনো যারা ভোটার না, বিশেষ করে ঢাকায় বহিরাগত, তারা যেনো ভোটকেন্দ্রে না আসেন। যদি অত্যন্ত প্রয়োজন না থাকে, তাহলে নিষ্প্রয়োজনে কেউ যেনো ঢাকায় অবস্থান না করেন। যাদের জরুরি প্রয়োজন, তাদের তো থাকতেই হবে। তাদের যেনো পুলিশ অ্যালাউ করে। যদি কোনও কারণ না দেখাতে পারে, যারা শুধু শুধু ঢাকায় এসেছে, তাদের চলে যেতে বলা হয়েছে।

ইসি সচিব  বলেন, যারা ঢাকায় অবস্থান করেন বিভিন্ন কারণে কিন্তু ঢাকার ভোটার নন, তারা যেন অযথা, অপ্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জটলার সৃষ্টি না করেন। সেটা করলে যারা ভোট দিতে আসবেন, তাদের জন্য ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-ডিএসসিসি 

সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫ । সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড ২৫। ভোট কেন্দ্র ১ হাজার ১৫০। ভোটকক্ষ ৬ হাজার ৫৮৮টি। ভোটার সংখ্যা ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-ডিএনসিসি 

সাধারণ ওয়ার্ড ৫৪। সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড ১৮। ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ৩১৮। ভোটকক্ষ ৭ হাজার ৮৪৬টি। ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন।

ভোটগ্রহণ

১ ফ্রেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টায় (বিরতিহীন) পর্যন্ত।

এসএমএম

আরও পড়ুন