• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০, ১১:৫৯ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০, ১২:০৮ পিএম

ভালোবাসায় মিলেছে বসন্ত

জাগরণ ডেস্ক
ভালোবাসায় মিলেছে বসন্ত
ছবি - মাসুদ আল মামুনের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত

আজ পহেলা ফাল্গুন। বাঙালির প্রাণের বসন্ত উৎসব। একইসঙ্গে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইনস ডে, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার প্রত্যয়কে চিরঞ্জীব করে রাখতে ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসেছে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বা ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে ভালোবাসার এই দিবস উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে বহুকাল আগে থেকে। বাংলাদেশে ২৭ বছর আগে এই ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবসের সূচনা। বাঙলা পঞ্জিকা সংশোধনে এবার দুই উৎসবই পড়েছে একদিনে। 

প্রচলিত রয়েছে, প্রাচীন রোমে ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। প্রাচীন রোমে খ্রিস্টধর্ম তখন মোটেও জনপ্রিয় ছিল না। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের শাস্তি দেয়া হত। একদিন রোমের এক কারা প্রধান তার অন্ধ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ভ্যালেন্টাইনের কাছে নিয়ে আসেন। ভ্যালেন্টাইন কথা দিয়েছিলেন তার সাধ্যমতো চিকিৎসা করবেন তিনি। মেয়েটির চিকিৎসা চলাকালে হঠাৎ একদিন রোমান সৈন্যরা এসে ভ্যালেন্টাইনকে বেঁধে নিয়ে যায়। ভ্যালেন্টাইন বুঝতে পারেন, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তাকে মেরে ফেলা হবে। ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে বা কারও মতে ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এর আগে ভ্যালেন্টাইন অন্ধ মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চিরকুট লিখে রেখে যান। তাকে হত্যার পর চিরকুটটি দেন মেয়েটিকে কারা প্রধান। এতে লেখা ছিল, ‘ইতি তোমার ভ্যালেন্টাইন’। মেয়েটি চিরকুটের ভেতরে বসন্তের হলুদ ত্রৌকস ফুলের আশ্চর্য সুন্দর রং দেখতে পায় কারণ, এরইমধ্যে ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় মেয়েটির অন্ধ দু’চোখে দৃষ্টি ফিরে এসেছে। ভালোবাসার এসব কীর্তির জন্য ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালন করে আসছে মানুষ।

তবে প্রতিটি দিনই ভালোবাসার দিন, ভালোবাসা প্রকাশের দিন। তবুও বছরের একটি বিশেষ দিনকে বেছে নেয়া হয়েছে ভালোবাসা দিবস হিসেবে।

এদিকে আজ ‘বসন্ত উৎসব ১৪২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বসন্ত উদ্‌যাপন পরিষদ। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় দিনব্যাপী সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা এবং বেলা সাড়ে ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত, ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবর মঞ্চ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত, সদরঘাট-সংলগ্ন ওয়াইজঘাট বুলবুল ললিতকলা একাডেমির মাঠ (বাফা) এবং উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্রসরণির উন্মুক্ত মঞ্চে বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে রাত ৮টা অবধি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

এফসি