• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৯:২০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ০৯:২০ পিএম

রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা’ অনুমোদন

জাগরণ প্রতিবেদক
রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা’ অনুমোদন
সভাপতিত্ব করছেন এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ● ফোকাস বাংলা নিউজ

বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘উচ্চ-আয়ের উন্নত’ দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়া হয়। 

‘বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১)’ অনুযায়ী, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে আধুনিক বিশ্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। যার মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে বর্তমান বাজার মূল্যে ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। চরম দারিদ্র্য নেমে আসবে দশমিক ৬৮ শতাংশে এবং দারিদ্র্য হার হবে ৩ শতাংশের নিচে।

এর প্রক্ষেপণে আরও বলা হয়েছে, ২০৩১ সাল নাগাদ জিডিপির প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৯ শতাংশ, দারিদ্র্য হার ২০২০ সালের (ভিত্তি বছর) ১৮ দশমিক ৮২ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য ২০২০ সালের ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ হবে।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, দারিদ্র্য দূর, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক ও বিশ্বমানের ডিজিটাল দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ঐতিহাসিক ডকুমেন্টটি প্রণয়ন ও অনুমোদন করা হয়েছে।

তিনি জানান, চার প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ- সুশাসন, গণতন্ত্রায়ণ, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০ বছরের জন্য পরিকল্পনাটির নকশা করা হয়েছে।

মান্নান বলেন, এনইসি প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি অনুমোদন করলেও মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো এতে আগামী এক মাসের মধ্যে আরও কিছু সংযোজন করতে পারবে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে ইউএনবির আরও জানায়, প্রেক্ষিত পরিকল্পনার আরও লক্ষ্য হলো শিল্পায়ন ও এর অবকাঠামোগত রূপান্তর নিশ্চিত করা এবং কৃষিখাতে অনুকরণীয় পরিবর্তন আনা ও রফতানিমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা।

এসএমএম