• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ০২:১৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ০২:১৬ পিএম

শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আল্লামা শফী

জাগরণ ডেস্ক
শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আল্লামা শফী

হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শেষযাত্রার ধর্মীয় আনুষঙ্গিকতায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে আসা লোকজন জড়ো হয়েছেন চট্টগ্রামে। হাটহাজারী উপজেলায় আল জামেয়াতুল দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদ্রাসার আশেপাশে ছাত্র, শিষ্য, ভক্ত ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ লাখে মানুষ জানাজার নামাজে অংশ নেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর (দুপুর ২টায়) হুজুরের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উনার বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ মাদানী জানাজার নামাজ পড়ান। তার পর উনাকে মাদ্রাসার কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।

এদিকে, শনিবার ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন লাখো ভক্ত-অনুসারীরা। জনতার ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এরইমধ্যে তার জানাজা ও দাফন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার্বিক নিরাপত্তায় চট্টগ্রামের চার উপজেলায় ১০ প্লাটুন বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত মাদ্রাসার মজলিসে শূরার বৈঠকে শাহ আহমদ শফী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই দিন রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। 

আল্লামা আহমদ শফী কওমি আলেমদের মর্যাদা রাষ্ট্রীয়ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার হাত ধরে, তার নেতৃত্বে এসেছে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদের সরকারি স্বীকৃতি। বাংলাদেশকে তিনি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্য উচ্চতায়। তাই তার মৃত্যুতে শোকাতুর হয়েছে দেশবাসী। তার মৃত্যুতে কাঁদছে পুরো দেশ। তাই লাখো ভক্তের ভালোবাসায় সিক্ত।

উল্লেখ্য, আল্লামা শফী রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা মাদ্রাসায় পটিয়ার আল জামিয়াতুল আরাবিয়া মাদ্রাসা এবং হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার পর ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসাতেও চার বছর লেখাপড়া করেন৷ ১৯৮৬ সালে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক পদে যোগ দেন তিনি।এরপর থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে তিনি ওই পদে ছিলেন।

জাগরণ/এমআর