• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২১, ৮ মাঘ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২০, ০৯:৪৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২, ২০২০, ০৯:৪৫ এএম

পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পূর্ণ

সাত বছরে পাহাড়ে খুন ৩৭৬

জাগরণ ডেস্ক
সাত বছরে পাহাড়ে খুন ৩৭৬
ফাইল ছবি

দেশের তিন পার্বত্যজেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জনপদে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। সে ঐতিহাসিক চুক্তির ২৩ বছরপূর্ণ হলো। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর। সরকার এবং জনসংহতি সমিতির সাথে সম্পাদিত শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে।

এদিকে, ১৫টি ধারা আংশিক আর ৯টি ধারা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। সরকারের নানা চেষ্টার পরেও পুরোপুরি শান্তি ফেরেনি পাহাড়ে। দ্বন্দ্ব সংঘাত লেগেই আছে। গত ৭ বছরে পাহাড়ে সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭৬ জন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর সংসদের তখনকার চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা পার্বত্য শান্তি চুক্তিতে সই করের। চুক্তির সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন। তবে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সব অস্ত্র জমা দেয়নি জেএসএস। উল্টো আরো তিনটি সশস্ত্র আঞ্চলিক দলের উত্থান ঘটেছে। এসব আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে গত ৭ বছরে  প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭৬ জন।

আঞ্চলিক সশস্ত্র দলগুলোর দাবি, চুক্তিতে থাকা বেশিরভাগ শর্তই পূরণ করা হয়নি। বান্দরবান ইউপিডিএফ জেলা আহ্বায়ক ছোটন তঞ্চঙ্গ্যা গণমাধ্যমকে বলেন,  শান্তিচুক্তিটা পরিপূর্ণ না হওয়ার কারণে, আমাদের আঞ্চলিক যে সাংগঠনগুলো আছে তাদের সঙ্গে দ্বন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবর্তিতে জেএসএস থেকে বেরিয়ে গিয়ে আরো কিছু সংগঠন সৃষ্টি হলো। এভাবে আমাদে মাঝে সংঘাত বেড়ে গেলো।

এদিকে, পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৩ বছর পরেও অশান্ত পাহাড়। চার আঞ্চলিক স্বশস্ত্র সংগঠনের আধিপত্য বিস্তার, আর অভ্যন্তরীন কোন্দলে বছরের পর বছর ধরে চলছে হত্যাকান্ডের মত ঘটনা। তবে পাহাড়ে শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার। 

দিবসটি উপলক্ষে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ও পার্বত্য জেলা পরিষদ করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

জাগরণ/এমআর