• ঢাকা
  • বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২১, ০৯:১০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ১৩, ২০২১, ১১:৪১ এএম

সোনার ভরিতে দাম কমল ১৯৮৩ টাকা

সোনার ভরিতে দাম কমল ১৯৮৩ টাকা

সোনার দাম কমেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৯৮৩ টাকা কমেছে।

বুধবার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনা ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হবে।

মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে গহনা ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় ৫ জানুয়ারি প্রতি ভরি সোনার দাম একই পরিমাণ বাড়িয়েছিল বাজুস।

মঙ্গলবারের কমানোর ঘোষণায় ফের আগের অবস্থায় ফিরে এলো মূল্যবান এই ধাতুর দর।

৫ জানুয়ারি দাম বাড়ানোর আগে টানা দুই দফা কমানো হয়েছিল সোনার দাম।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম কমানোর কারণ ব্যাখা করে বলা হয়, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় শঙ্কিত বৈশ্বিক অর্থনীতি, ডলার ও তেলের দরপতন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় স্বর্ণবাজারে দরের উত্থান-পতন সত্ত্বেও ব্যবসার অচল অবস্থা কাটাতে ও ভোক্তাসাধারণের কথা চিন্তা করে ১৩ জানুয়ারি বুধবার থেকে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রায় ২ হাজার টাকা কমানো হলো। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকবে।

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনা ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হবে।

২১ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হবে ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের বিক্রি হবে ৬০ হাজার ৭৬৯ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হবে ৫০ হাজার ৪৪৭ টাকায়।

মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের সোনা ৭৪ হাজার ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

২১ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হয়েছে ৭১ হাজার ৫০০ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের বিক্রি হয় ৬২ হাজার ৭৫২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হয় ৫২ হাজার ৪৩০ টাকায়।

গেল বছরের আগস্টে দেশের বাজারে সোনার ভরি ৭৭ হাজার ২১৬ টাকায় উঠেছিল, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড।

এরপর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে স্থানীয় বাজারেও সোনার দাম ওঠানামা করেছে।

মঙ্গলবার রাত ১১টায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) স্পট গোল্ডের দাম ছিল এক হাজার ৮৪৩ দশমিক ৫০ ডলার।

৫ জানুয়ারি রাতে বাজুস যখন স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় তখন (রাত ১০টা) আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) স্পট গোল্ডের দাম ছিল এক হাজার ৯৪৮ দশমিক ৫০ ডলার।

এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দর প্রতি আউন্সে ১০৫ ডলারের মতো কমেছে।

এর আগে ১ ডিসেম্বর সোনার দর কমতে কমতে ১ হাজার ৮০৪ ডলারে নেমে এসেছিল।

দেশে সোনার দাম কমলেও রুপার দামে কোনো হেরফের হয়নি। আগের দামেই বিক্রি হবে রুপার গহনা।

গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে সোনার মতো হলমার্ক চিহ্নযুক্ত (কেডিএম) রুপা বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছে বাজুস।

প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপা এক হাজার ৫১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২১ ক্যারেটের রুপার অলংকার বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪৩৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের ভরি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২২৫ টাকায়।

আর সনাতন পদ্ধতির রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।