• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৩:০০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৩:০০ পিএম

নিরপরাধ কামরুলের সাজা বাতিল

নিরপরাধ কামরুলের সাজা বাতিল

সনদ জালিয়াতির ঘটনায় নামের মিল থাকায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত নিরপরাধ মোহাম্মদ কামরুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে কামরুলের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রত্যাহারের পাশাপাশি এই ভুলের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতে মোহাম্মদ কামরুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী বিজয়া বড়ুয়া। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, এসএসসির ভুয়া নম্বর ও প্রশংসাপত্র তৈরি করে মাইজদী পাবলিক কলেজে একাদশ শ্রেণিতে (১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তির অভিযোগে কামরুল ইসলামের (ঠিকানা: পূর্ব রাজারামপুর) নামে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে সুধারাম থানায় মামলা করে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। 

জব্দ করা ভর্তির আবেদনপত্রে কামরুলের জন্মতারিখ ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি ও গ্রাম পশ্চিম রাজারামপুর উল্লেখ রয়েছে। তদন্ত শেষে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর কামরুল ইসলামের গ্রামের ঠিকানা পূর্ব রাজারামপুর উল্লেখ করে ওই মামলায় অভিযোগপত্র দেন।

এই মামলায় নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালত ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কামরুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে তিনটি ধারায় ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় রায়ে। সব কারাদণ্ড একসঙ্গে চলবে বলা হয়।

এই মামলায় সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গত বছরের অক্টোবরে মোহাম্মদ কামরুল (পূর্ব রাজারামপুর) রিট করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। ছয় মাসের জন্য মোহাম্মদ কামরুলকে কোনো ধরনের হয়রানি ও গ্রেপ্তার না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। মোহাম্মদ কামরুলকে শনাক্তকরণ বিষয়ে দুদককে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দুদক ভুল স্বীকার করে আদালতে বক্তব্য দাখিল করে।