• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ, ২০২১, ২০ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৬:৪৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৬:৪৮ পিএম

‘চট্টগ্রাম নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনি-সংকেত’

‘চট্টগ্রাম নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনি-সংকেত’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন ‘গণতন্ত্রের জন্য অশনি-সংকেত’ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। একই সাথে ‘নির্বাচনটি অনিয়মের একটি মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, “দেশব্যাপী যেসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এ মডেল অনুসরণ করা হলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বসভায় আমরা আত্মমর্যাদা সমুন্নত রাখতে পারবো না। আমরা সকল নির্বাচনকে যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শামিল হতে চাই।”

এর আগে নির্বাচন সম্পর্কে আমার বক্তব্য’ শিরোনামে মাহবুব তালুকদার বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট পড়েছে শতকরা সাড়ে ২২ ভাগ মাত্র। এত অল্পসংখ্যক ভোট গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নিয়ামক হতে পারে না। এই পরিস্থিতি নির্বাচনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতার পরিচায়ক, যা গণতন্ত্রের জন্য এক অশনি-সংকেত। সুষ্ঠু পরিবেশে অবাধ, নিরপেক্ষ, আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে ভোটার উপস্থিতি অবশ্যই বেশি হতো। স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমরা সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারবো না, তা মেনে নেওয়া যায় না।”

মাহবুব তালুকদার বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে অরাজকতা দেখা গেছে, তাতে আমি হতাশ। আমার আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্য হলো এবং সাবধান বাণীতে কোনো কাজ হলো না। নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনকালে মোট চার জনের প্রাণহানি প্রকারান্তরে চারটি পরিবারের প্রাণহানির নামান্তর। সহিসংতা, কেন্দ্র দখল, পুলিশের গাড়ি ও ইভিএম ভাঙচুর ইত্যাদি ঘটনা এই নির্বাচনকে কলঙ্কিত করেছে। এ ধরনের তাণ্ডব বন্ধ করতে আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ খুঁজে পেতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিবর্তন ব্যতীত তা সম্ভব হবে না। এজন্য দল-মত নির্বিশেষে সকলের ঐকমত্য প্রয়োজন।”