• ঢাকা
  • শনিবার, ১৫ মে, ২০২১, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২১, ০৭:৫৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ২৯, ২০২১, ১১:০৯ পিএম

পুলিশকে জানাতে ও মামলা করতে চায়নি মুনিয়ার পরিবার

পুলিশকে জানাতে ও মামলা করতে চায়নি মুনিয়ার পরিবার

শুরুতে পুলিশকে জানাতে ও মামলা করতে আগ্রহী ছিল না মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিবার।

বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে এ কথা জানান গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

এদিকে মুনিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে পুলিশ কী মনে করে, জানতে চাওয়া হলে সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, “ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ভুক্তভোগী তরুণীর বোন পুলিশকে জানানোয় উৎসাহী ছিলেন না, তারা মামলা করতেও অতটা ইচ্ছুক ছিলেন না। বাড়ির মালিক পুলিশকে জানান।”

উপ-কমিশনার সুদীপ আরো বলেন, “গুলশানের সেই ফ্ল্যাটে গিয়ে দেয়ালে টাঙানো মুনিয়ার সঙ্গে আনভীরের ছবি দেখা যায় এবং কয়েকটি ডায়েরি পায় পুলিশ। ডায়েরিগুলোয় ‘সুইসাইডাল নোটের’ মতো অনেক কিছু লেখা। এসব দেখে পুলিশ অনুমান করে, একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণী মাত্র ২১ বছর বয়সে কোনো কারণ বা প্ররোচনা ছাড়া আত্মহত্যা করতে পারে না। সে রাতেই পুলিশ যা যা তথ্য সংগ্রহ করার দরকার, তার সব সংগ্রহ করে এবং তাৎক্ষণিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মামলা হয়।”

গত ২৬ এপ্রিল, সোমবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান আনভীরের মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।