• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮
প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২১, ১১:৩৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ২, ২০২১, ০৫:৩৫ এএম

এমপি হওয়ার খায়েশ ছিল হেলেনার

এমপি হওয়ার খায়েশ ছিল হেলেনার
ফাইল ছবি

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা দুটি মামলার মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে।

রোববার (১ আগস্ট) বিকেলে গুলশান থানা থেকে মামলার তদন্তভার ডিবির স্পেশাল সাইবার ক্রাইম বিভাগে দেয়া হয়।

ডিএমপির গুলশান থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, গুলশান থানায় দায়ের করা দুটি মামলার একটির তদন্ত করবে গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

এর আগে র‌্যাব বাদী হয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশান থানায় মামলা দুটি করে। ওই মামলায় হেলেনাকে তিন দিনের রিমান্ডে এনে গুলশান থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

গুলশান থানার পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসা থেকে উদ্ধার করা মদ, ওয়াকিটকি, ক্যাসিনো সরঞ্জাম ও হরিণের চামড়ার বিষয়ে বন্য প্রাণী আইন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারায় আরেকটি মামলা করা হয়।

অনুমোদন ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া জয়যাত্রা টিভির সম্প্রচারের অভিযোগে হেলেনার নামে পল্লবী থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইনে র‌্যাব-৪-এর একজন উপপরিদর্শক (এসআই) গত শুক্রবার রাতে ওই মামলা করেন।

 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে হেলেনা জাহাঙ্গীর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মানহানি ও সুনাম নষ্ট করেছেন। তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছেন।

খ্যাতি লাভের আশায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে সম্মানিত ব্যক্তিদের বিব্রত করতেন। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তিনি তৈরি করেছেন একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ফেসবুক লাইভে এসে অযাচিত ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতেন। এভাবে তদন্তে এরই মধ্যে তাঁর সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। 

‘পরবর্তীতে এমপি ফাইনাল। তবে টাকাটুকা দেবে? আর টাকা না দিলে একেবারে ভাইরাল করে দেব। একদম। জানোই তো, আমি ভাইরাল করার ওস্তাদ।’

ফোনের অন্য প্রান্তে অচেনা একজনকে এভাবেই বলছিলেন জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হেলেনা জাহাঙ্গীর। গ্রেফতার হওয়া হেলেনার কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপের সূত্র ধরে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। এ মানে হচ্ছে যে করেই হোক এমপি হওয়ার খায়েশ ছিল হেলেনা জাহাঙ্গীরের। 

জাগরণ/এসএসকে