• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, ১১:১১ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, ১১:১৬ এএম

বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত চেকপোস্টে যাত্রী টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন

বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত চেকপোস্টে যাত্রী টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন
ছবি- জাগরণ।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সীমান্ত স্থাপনাসমূহের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১) পেট্রাপোল সমন্বিত চেকপোস্টে একটি নতুন যাত্রী টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তারা যৌথভাবে ভবনটি উদ্বোধন করেন।

ছবি- জাগরণ। 

ভারতীয় হাইকমিশন থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষে ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায় ও নিশিথ প্রামাণিক। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের নৌ-পরিবহনমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সভাপতি আদিত্য মিশ্র, অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সভাপতি মো. আলমগীর।

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর আইসিপি পেট্রাপোল বাংলাদশে থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বর্পূণ বন্দর। এটি ভারতের নবম বৃহত্তম আর্ন্তজাতিক অভিবাসন বন্দর। যা বছরে প্রায় ২৩ লাখ যাত্রীকে সেবা প্রদান করে থাকে। ভারতীয় স্থলবন্দর র্কতৃপক্ষ দ্বারা নির্মিত, নতুন এক হাজার ৩০৫ র্বগমিটারের এই টার্মিনাল ভবনটিতে যেকোনো সময়ে ৫৫০ জন যাত্রীকে সেবা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভবনটি যাত্রীদের চলাচল ঝামেলামুক্ত ও সহজতর করবে। পাশাপাশি একই ছাদের নিচে ইমিগ্রেশন, কাস্টম এবং সুরক্ষা সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। ভবনে ৩২টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার, ৪টি কাস্টমস কাউন্টার এবং ৮টি সুরক্ষা সেবা কাউন্টারের পাশাপাশি অন্যান্য অংশীদারদের জন্য র্পযাপ্ত কার্যালয় রয়েছে।

ছবি- জাগরণ। 

ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের ৫০ বছর উদযাপন করছে। এ সময় উপস্থিত সব অতিথিরা উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সর্ম্পককে শক্তিশালী করার এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামো স্থাপনের গুরুত্ব পুর্নব্যক্ত করেছেন।

এর বাইরে ভারতীয় স্থলবন্দর র্কতৃপক্ষ পেট্রাপোলে একটি অত্যাধুনিক যাত্রী টার্মিনাল ভবন (২) নির্মাণ করছে। যেটির মধ্য দিয়ে র্অধ মিলিয়ন যাত্রীকে সেবা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল এবং ২০২২ সালের মধ্যে এটি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছবি- জাগরণ। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি সাধারণ দ্বিতীয় কার্গো গেটের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। দুই দেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে শক্তিশালী সীমান্ত সংস্থা সমন্বয়ের একটি উদাহরণ হিসেবে পদক্ষেপটি একটি উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্তে পণ্যছাড়করণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সংযোগ আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

 

জাগরণ/এসকেএইচ