• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, ০২:২১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, ০২:২৩ পিএম

টিকার দাবিতে সোহরাওয়ার্দীতে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

টিকার দাবিতে সোহরাওয়ার্দীতে প্রবাসীদের বিক্ষোভ
টিকার দাবিতে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিক্ষোভ করছেন প্রবাসীরা। ছবি-জাগরণ

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন প্রবাসীরা। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে টিকার দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।  এ সময় প্রবাসীরা হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন।  এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।  টিকা কবে পাবে সে বিষয়ে কথা বলতে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে ৫ জন ও পুলিশ কর্মকর্তারা হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা করেন। কোনো সন্তোষজনক জবাব না পাওয়াতে প্রবাসীরা তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রবাসীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জানান, ম্যাসেজ আসার পর আমরা টিকা নিতে এসেছি।  কিন্তু এখানে মডার্না ও ফাইজারের প্রথম ডোজ নেই। আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।  এখন আমরা কী করব? অনেক টাকা খরচ করে টিকার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছি।  বার বার কেনো আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে?

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, হাসপাতালে ফাইজার ও মডার্নার টিকা নেই।  এখন সিনোফার্মের টিকা চলছে।  এই টিকা প্রবাসীরা না দিলে আমরা কী করতে পারি? প্রবাসীরা সিনোফার্ম নিলে এখনই দিতে পারবো।  আমাদের কাছে শুধু দ্বিতীয় ডোজের জন্য মডার্না আছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, পরিচালকের কথা আমরা প্রবাসীদের বোঝানোর চেষ্টা করছি।  কিন্তু তারা কোনোভাবেই মানছেন না।  তারা হাসপাতালে বিক্ষোভ করছেন।  টিকা না থাকলে হাসপাতাল কীভাবে দেবে? এখানে তো আর টিকা তৈরি হয় না।  তাদের দাবি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।  তারাও নিরুপায় হয়েই বিক্ষোভ করছেন।

পরিচালকের সঙ্গে যে ৫ জন প্রবাসী কথা বলেছেন তাদের একজন মনির মিয়া বলেন, আমরা ম্যাসেজ পেয়েছি।  তারা বলছে সিনোফার্ম নিতে। কিন্তু এই টিকা নিলে সৌদিতে প্রবেশ করতে দেবে না।  আমাদের মডার্না বা ফাইজারের টিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, মিটিং করার সময় হাসপাতালের পরিচালক আমাদের জানিয়েছেন, এখানে ফাইজার এবং মডার্নার টিকা নেই। এক ঘণ্টা আলোচনা শেষে বাইরে এসে বিষয়টি সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু কেউ বিশ্বাস করছে না।  সে কারণে হাসপাতালের ভেতরে এখনো বিক্ষোভ চলছে।

জাগরণ/এমএইচ